Today is  
 
Untitled Document
শিরোনাম : ||   আইসিসির সদস্যপদ ফিরে পেল জিম্বাবুয়ে      ||   হাইকোর্টে স্থগিত ড. ইউনূসের গ্রেফতারি পরোয়ানা      ||   বাঁকখালী নদীতে কল্পজাহাজ ভাসিয়ে প্রবারণা পূর্ণীমার সমাপ্তি      ||   বিপন্ন সেন্টমার্টিন      ||   আবরারের খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী      ||   উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যুবককে জবাই করে হত্যা      ||   ঘুমধুম ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা, বিজিবি’র গুলিতে নিহত ২      ||   পুলিশ সুপারের সঙ্গে জেলা ইলেকট্রিশিয়ান শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ      ||   টেকনাফে বিজিবি-বিজিপি রিজিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক      ||   জেলা ইলেকট্রিশিয়ান শ্রমিক ইউনিয়নের নব-কমিটির শপদ অনুষ্ঠান সম্পন্ন      ||   বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রবারণা পূর্ণিমা শুরু সম্প্রীতির বন্ধনে      ||   শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনীতি বন্ধে হাসিনা-খালেদাকে বিবাদী করে রিট      ||   টাইফুনে লন্ডভন্ড জাপান, নিহত বেড়ে ১৯      ||   আমাদের কর্তব্য মানুষের পাশে দাঁড়ানো-প্রধানমন্ত্রী      ||   বান্দরবানে প্রবারণা উৎসব শুরু     
শত বছরের সম্প্রীতির বন্ধন ছিন্ন করতে পারেনি দুস্কৃতিকারিরা
প্রকাশ: 2019-09-29     সরওয়ার আজম মানিক, অতিথি প্রতিবেদক এক্সক্লুসিভ

শত বছর ধরে কক্সবাজারের রামুতে সকল ধর্মের মানুষ সম্প্রীতির বন্ধনে বসবাস করে আসছিল। কিন্তু, গত ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকের মাধ্যমে গুজবের জের ধওে একদল দুস্কৃতিকারি বৌদ্ধ পল্লী গুলোতে বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে সেই সম্প্রীতির বন্ধন ছিন্ন করে দেয়ার চেষ্টা করেন। এ ঘটনার ৬ বছর

অতিবাহিত হয়ে আজ ৭ বছরে পা দিলেও সেই অসাম্প্রাদায়িক চেতনার রামুর মানুষদের সম্প্রতির বন্ধন অটুট রয়েছে এখনও। তবে এঘটনার বিচার কার্য নিয়ে কিছুটা হতাশা থাকলেও সকল ধর্মের মানুষের বিশ্বাস তারা ভেদাভেদ ভুলে সহবস্থানে জীবন  যাপন করছে। আর যেন এই রকম ঘটনা না ঘটে সেজন্য সর্বোচ্চ সর্তক রয়েছে পুলিশ।

রামুর যুবক উত্তম বড়ুয়ার ফেইসবুক আইডিতে পবিত্র কোরআন অবমাননাকর ছবি পোষ্ট করার অভিযোগ তুলে একদল দূর্বৃত্ত উস্কানিমূলক মিছিল সহকারে ২০১২ সালে বৌদ্ধ পল্লীতে হামলা চালিয়ে মন্দিরে অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এতে কক্সবাজার সদর, রামু, উখিয়া ও টেকনাফে ১৩ টি বৌদ্ধ বিহার এবং ৩০ টি বসত বাড়ী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যদিও সরকারি পৃষ্টপোষকতায় নান্দনিকভাবে নির্মিত এসব বৌদ্ধ বিহার গত ২০১৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  

ঘটনার ৭ বছরে এসে এসব ঘটনা ভুলে গেছেন বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষ। তারা বিশ্বাস করেন রামুতে আগের মতো সম্প্রীতি ফিরে এসেছে। একই সঙ্গে অন্যান্য ধর্মের মানুষও সম্প্রীতির রামু আগের মতো এবং আগের সব ভুলে এখন সহ অবস্থানে বসবাস করছে। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজন বলছেন,এ ঘটনার যেন বিচার হয়।

রামুর বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সাধারণ মানুষ বলছেন-সেই ভয়াল ঘটনা এখনও বিবচলিত করে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষকে। তবে পূর্বেও মত সব সম্প্রদায় আর ধর্মের মানুষ বসবাস করছে সম্প্রীতির বন্ধনে। অবশ্য, বৌদ্ধ মন্দিরে হামলার জড়িতদের এখনও আইনের আওতায় না আসায় হতাশ তারা। সত্যিকারের অপরাধিদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসার জন্য জোরদাবি জানিয়েছেন।

অবশ্য, সম্প্রীতি রক্ষায় এ ঘটনার বিচার দাবী অন্য ধর্মের মানুষদেরও। জানাতে চাইলে রামু উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মৌলানা  নুরুল হাকিম বলেন, ‘ইসলাম অন্য ধর্মালম্বীদের উপর হামলার সমর্থন করে না। এই ঘটনায় প্রথম থেকেই আমরা নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিলাম এবং এখনও নিন্দা জানাচ্ছি। দোষীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী করছি’।

বাংলাদেশ বুড্ডিষ্ট ডেভেলপমেন্ট কক্সবাজার শাখার চেয়ারম্যান সুরেশ বড়–য়া বাঙ্গালী বলেন- ‘আমরা এখনও সুষ্ঠু বিচারের অপেক্ষায় রয়েছি। প্রকৃতপক্ষে যারা এ ঘটনায় জড়িত তাদের এখনও চিহ্নিত করা যায়নি। আমরা চাই খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসা হউক’।

রামু কেন্দ্রিয় সীমা বিহারের  সহকারি পরিচালক প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু বলেন, ‘২০১২ সালে যে ঘটনা ঘটেছে, তার যেন বাংলাদেশে পুনরাবৃত্তি না ঘটে এজন্য সব ধরণের ব্যবস্থা নেয়া উচিত। তবে রামুর ঘটনায় যে মামলা গুলো হয়েছে এতে কোন সাধারণ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হয় এবং প্রকৃত আসামীরা যাতে শাস্তি পাই। এটি আমাদের সব সময় দাবি’।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেন, ‘২০১২ সালে রামুর বৌদ্ধ বিহার গুলোতে ভয়াবহ বর্বরোচিত হামলার পরবর্তীতে ২০১৭ সালে রাখাইন থেকে এদেশে রোহিঙ্গা আসার পর বৌদ্ধ সম্প্রদায় কিছুটা আতংকের মধ্যে ছিল বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজন। কিন্তু,আইন প্রয়োগকারী সংস্থা গুলোর পদক্ষেপে তা স্বাভাবিক হয়ে যায়। এর পর থেকে বৌদ্ধ বিহার সহ সব বৌদ্ধ পল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার অব্যাহত রয়েছে’।

উল্লেখ্য, রামুর বৌদ্ধ বিহারে হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছিল ১৯টি। এরমধ্যে পুলিশ বাদী হয়ে ১৮টি মামলা করেন। অপর একটি বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে মামলা করলেও পরবর্তীতে বিবাদীদের সঙ্গে আপোষনামা দিয়ে খালাস করেছেন। বিচারাধীন ১৮টি মামলায় স্বাক্ষী না পাওয়ায় বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘসূত্রিতা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকসহ তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে যেন আর কোন সহিংসতা না হয় তার জন্য সজাগ থাকার কথা বলছেন সব ধর্মের সব মানুষেই।


আআ/

এক্সক্লুসিভ
শত বছরের সম্প্রীতির বন্ধন ছিন্ন করতে পারেনি দুস্কৃতিকারিরা

অভিজাত বাসে ‘নিরাপদ’ ইয়াবা পাচার

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের প্রস্তাব পুলিশের!

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: কেরণতলী ও ঘুমধুম ঘাটে চলছে সংস্কারের কাজ

রোহিঙ্গাদের দ্বিতীয় বছরের ঈদুল আজহা: কোরবানির দিয়েছে অনেকে

রোহিঙ্গাদের কারণে গত ২ বছরে ক্ষতি ৬২০০একর বনাঞ্চল

জেলায় ডেঙ্গু নিয়ে আতংকিত না হওয়ার পরামর্শ চিকিৎসকদের

বরগুনায় রিফাত হত্যাকান্ড: নেপথ্যে কারা

রোহিঙ্গা ক্যা্ম্পে অপরাধ দমনে তৎপর নেতারা

রাতে এমপি শম্ভুর অফিসে মিন্নির আইনজীবী!

আইসিসির সদস্যপদ ফিরে পেল জিম্বাবুয়ে
হাইকোর্টে স্থগিত ড. ইউনূসের গ্রেফতারি পরোয়ানা
বাঁকখালী নদীতে কল্পজাহাজ ভাসিয়ে প্রবারণা পূর্ণীমার সমাপ্তি
বিপন্ন সেন্টমার্টিন
আবরারের খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে: প্রধানমন্ত্রী
উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যুবককে জবাই করে হত্যা
ঘুমধুম ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা, বিজিবি’র গুলিতে নিহত ২
পুলিশ সুপারের সঙ্গে জেলা ইলেকট্রিশিয়ান শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ
টেকনাফে বিজিবি-বিজিপি রিজিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক
জেলা ইলেকট্রিশিয়ান শ্রমিক ইউনিয়নের নব-কমিটির শপদ অনুষ্ঠান সম্পন্ন
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রবারণা পূর্ণিমা শুরু সম্প্রীতির বন্ধনে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনীতি বন্ধে হাসিনা-খালেদাকে বিবাদী করে রিট
টাইফুনে লন্ডভন্ড জাপান, নিহত বেড়ে ১৯
আমাদের কর্তব্য মানুষের পাশে দাঁড়ানো-প্রধানমন্ত্রী
বান্দরবানে প্রবারণা উৎসব শুরু
‘এখন সবাই আওয়ামী লীগের নৌকায় উঠতে চায়’ তথ্যমন্ত্রী
 

উপদেষ্টা সম্পাদক: আবু তাহের
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
প্রকাশক: আবদুল আজিজ

 

কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (২য় তলা),
শহীদ সরণি (সার্কিট হাউস রোড), কক্সবাজার।
ফোন:
০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩।


ইমেইল :

news.coxsbazarvoice@gmail.com
About Coxsbazar Voice
Advertisement
Contact
Web Mail
Privacy Policy
Terms & Conditions
কক্সবাজার ভয়েস পত্রিকার কোন সংবাদ,লেখা,ছবি বা কোন তথ্য পূর্ব অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
All rights reserved © 2019 COXSBAZAR VOICE Developed by : JM IT SOLUTION