Untitled Document
শিরোনাম : ||   মালয়েশিয়ায় বিপাকে জাকির নায়েক      ||   ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে কোহলিদের হুমকি      ||   নির্মাতার বিরুদ্ধে খোলামেলা শার্লিনের যত অভিযোগ      ||   দুর্ভাগ্যটা কার, ফখরুলের না খালেদার?      ||   মেসিকে খুশি রাখতেই নেইমার ‘নাটক’!      ||   নবম ওয়েজ বোর্ড: আপিল বিভাগে আদেশ মঙ্গলবার      ||   রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নানা সংশয়      ||   উখিয়ার জসীম দশ হাজার ইয়াবা নিয়ে ঢাকায় আটক      ||   সাংবাদিক বশির উল্লাহ পিতার ইন্তেকাল      ||   কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন      ||   স্বর্গ কাশ্মির, খাপে-ঢাকা বাঁকা তলোয়ার      ||   বেসামরিক জীবনে ফিরলেন ধোনি      ||   সাকিবের সাথে দ্বন্দ্ব: মাহমদউল্লাহর বার্তা      ||   ট্রাস্কফোর্স কমিটির জরুরী বৈঠক:প্রত্যাবাসনের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি      ||   প্রত্যাবাসন যে কোন সময় শুরু হতে পারে-পররাষ্ট্র সচিব     
কোরবানির গরু মোটা হচ্ছে ক্ষতিকর ওষুধে
প্রকাশ: 2019-07-07     নিউজ ডেস্ক এক্সক্লুসিভ

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ ও ইনজেকশন প্রয়োগে গরু-মহিষ মোটাতাজা করছেন কিছু অসাধু অর্থলোভী খামারি। বেশি দামে পশু বিক্রির জন্য খামারিরা এ পন্থা অবলম্বন করছেন।

অন্যদিকে গরু মোটাতাজাকরণের নিষিদ্ধ ওষুধ প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে ওষুধের ফার্মেসি থেকে শুরু করে হাট-বাজারে। সহজলভ্য হওয়ার সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন অসাধুরা।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ খাওয়ানো গরুর মাংস খেলে মানুষের শরীরে স্টেরয়েডের উপাদান ঢুকে। এতে কিডনির সমস্যাসহ নানান জটিল রোগে আক্রান্তের সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ধরনের ওষুধ খেয়ে গরুগুলো রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। ফলে মোটাতাজার বিপরীতে অনেক গরুর মৃত্যু হচ্ছে। এতে লাভের তুলনায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন অনেক খামারি।কিছু খামারির ধারণা, স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ পশু মোটাতাজা করতে সহায়ক। তবে তারা এটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া জানেন না। আবার অনেক খামারি জেনেই এ পন্থা অবলম্বন করছেন। যাতে পশু মোটাতাজা হলে কিছু বাড়তি টাকা পান।

হাটহাজারীর ফতেয়াবাদ ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলি এলাকার খামারি ফারুক আহমেদ দীর্ঘদিন পশুপালন করছেন। তিনি কোরবানি উপলক্ষে প্রতিবছর উত্তরবঙ্গের জেলাগুলো থেকে গরু আনেন। এগুলো কয়েকমাস লালন-পালন করে বিক্রি করেন।

এ ব্যবসার শুরুর দিকে গরুকে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ খাওয়াতেন তিনি। ফারুক আহমেদ বলেন, কোরবানির হাটে বিক্রির উদ্দেশ্যে এক বছরে ৩০টি গরু এনেছি। একটি ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধির কথা শুনে গরুকে ওষুধ খাওয়াই। ওই বছর আমার তিনটি গরু মারা যায়। ফলে লোকসানে পড়ি।

আবদুর রহিম নামে এক খামারি বলেন, ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের প্রলোভনে অনেকে এ জাতীয় ওষুধ খাওয়ায় গরুকে।কয়েকজন খামারি জানিয়েছেন, লোকমুখে শোনার পর তারা এসব ওষুধ গরুকে খাইয়েছেন। খাওয়ানোর পর দ্রুত সময়ের মধ্যে গরুর শরীর মোটা হয়েছিল। এতে করে তারা কিছু টাকা বেশি পেয়েছেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, মিরসরাইয়ে ১৫২, সীতাকুণ্ডে ৭৫, সন্দ্বীপে ৬৫, ফটিকছড়িতে ১৫৫, রাউজানে ২৪০, রাঙ্গুনিয়ায় ২০৫, হাটহাজারীতে ৩৪০, বোয়ালখালীতে ১৫৪, পটিয়ায় ৪৯০, চন্দনাইশে ৬০০, আনোয়ারায় ৪৫৫, সাতকানিয়ায় ২০৫, লোহাগাড়ায় ৫০০, বাঁশখালীতে ১৫৪, কোতোয়ালীতে ৬৯, ডবলমুরিংয়ে ৭৭ ও পাঁচলাইশে ৬৯টি খামার রয়েছে। এসব খামারে প্রায় ৫ লাখ গরু মোটাতাজা করা হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধের মধ্যে পশুকে ডেক্সামেথাসন, বেটামেথাসন ও পেরিঅ্যাকটিন খাওয়ানো হয় বেশি।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রেয়াজুল হক  বলেন, সংকটাপন্ন জীবন বাঁচাতে ওষুধ হিসেবে অনেক সময় স্টেরয়েড দেওয়া হয়। কিন্তু ভালো পশুকে এ ধরনের ওষুধ খাওয়ানো হচ্ছে।

‘তবে এ প্রবণতা কমে এসেছে। মানুষ আগের তুলনায় সচেতন। পাশাপাশি যেহেতু অনেক সময় ওষুধ খাওয়ানোর পর অনেকের গরু মারা গেছে, তাই লোকসানের ভয়ে খামারিরা ঝুঁকি নিচ্ছে না।’

তিনি আরও বলেন, দেখা যায় স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ খাওয়ানোর পর ওই পশুর মাংস অনেক খামারির ঘরের রান্না করে। ফলে ওই খামারি নিজেই ফাঁদে পড়ছেন। তাই নিজেকে সচেতন হতে হবে।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, এসব ওষুধ খাওয়ানোর ফলে পশুর কিডনি ও লিভারের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়। ফলে শরীর থেকে পানি বের হতে পারে না। ওই পানিগুলো সরাসরি পশুর মাংসে যায়। এ কারণে আকৃতিগতভাবে গরুকে মোটা মনে হয়।

‘তবে আসলে ওইগুলো মাংস নয়। জবাইয়ের পর পানি বের হয়ে গেলে ওই গরুর মাংস কমে যায়। এজন্য অনেক কোরবানি দাতাকে হাঁসফাঁস করতে দেখা যায়, পশুর মাংস কম হয়েছে। আসলে ওই পশুকে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ খাওয়ানো হয়েছে।’

ওষুধ খাওয়ানো পশু চিনবেন যেভাবে

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রেয়াজুল হক জানিয়েছেন, স্বাভাবিক পদ্ধতি যে গরু মোটাতাজা হয়েছে, সেটির শরীরে চাপ দিলে সঙ্গে সঙ্গে সেটি আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। কিন্তু ওষুধ খাওয়ানো গরুর ক্ষেত্রে সেটি ধীরগতিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের গরু সারাক্ষণ নীরব থাকে, নাড়াচাড়া খুবই কম করে। গরুর পায়ুপথে রক্তের দেখা মিলতে পারে, যেহেতু ওষুধ খাওয়ানো বেশিরভাগ গরুর পাকস্থলীতে ক্ষতের সৃষ্টি হয়, এজন্য রক্ত পায়খানা হয়।

এক্সক্লুসিভ
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: কেরণতলী ও ঘুমধুম ঘাটে চলছে সংস্কারের কাজ

রোহিঙ্গাদের দ্বিতীয় বছরের ঈদুল আজহা: কোরবানির দিয়েছে অনেকে

রোহিঙ্গাদের কারণে গত ২ বছরে ক্ষতি ৬২০০একর বনাঞ্চল

জেলায় ডেঙ্গু নিয়ে আতংকিত না হওয়ার পরামর্শ চিকিৎসকদের

বরগুনায় রিফাত হত্যাকান্ড: নেপথ্যে কারা

রোহিঙ্গা ক্যা্ম্পে অপরাধ দমনে তৎপর নেতারা

রাতে এমপি শম্ভুর অফিসে মিন্নির আইনজীবী!

পেঁয়াজের দাম কমেছে, সবজি-মাছের মূল্য চড়া

মিন্নি বললেন ‘আমি মানসিক নিপীড়নে বিধ্বস্ত’

কোরবানির গরু মোটা হচ্ছে ক্ষতিকর ওষুধে

মালয়েশিয়ায় বিপাকে জাকির নায়েক
ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে কোহলিদের হুমকি
নির্মাতার বিরুদ্ধে খোলামেলা শার্লিনের যত অভিযোগ
দুর্ভাগ্যটা কার, ফখরুলের না খালেদার?
মেসিকে খুশি রাখতেই নেইমার ‘নাটক’!
নবম ওয়েজ বোর্ড: আপিল বিভাগে আদেশ মঙ্গলবার
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নানা সংশয়
উখিয়ার জসীম দশ হাজার ইয়াবা নিয়ে ঢাকায় আটক
সাংবাদিক বশির উল্লাহ পিতার ইন্তেকাল
কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন
স্বর্গ কাশ্মির, খাপে-ঢাকা বাঁকা তলোয়ার
বেসামরিক জীবনে ফিরলেন ধোনি
সাকিবের সাথে দ্বন্দ্ব: মাহমদউল্লাহর বার্তা
ট্রাস্কফোর্স কমিটির জরুরী বৈঠক:প্রত্যাবাসনের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি
প্রত্যাবাসন যে কোন সময় শুরু হতে পারে-পররাষ্ট্র সচিব
প্রতিপক্ষের জন্য ‘কিলার’ হয়ে উঠছে এমবাপে
 

উপদেষ্টা সম্পাদক: আবু তাহের
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
প্রকাশক: আবদুল আজিজ

 

কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (২য় তলা),
শহীন সরণি (সার্কিট হাউস রোড), কক্সবাজার।
ফোন:
০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩।


ইমেইল :

news.coxsbazarvoice@gmail.com
About Coxsbazar Voice
Advertisement
Contact
Web Mail
Privacy Policy
Terms & Conditions
কক্সবাজার ভয়েস পত্রিকার কোন সংবাদ,লেখা,ছবি বা কোন তথ্য পূর্ব অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
All rights reserved © 2019 COXSBAZAR VOICE Developed by : JM IT SOLUTION