ভয়েস প্রতিবেদক, মহেশখালী:
স্থানীয়দের আন্দোলেন পর কক্সবাজার-মহেশখালী নদীপথে যাত্রী হয়রানি যেখানে কমার কথা সেখানে বরং আরো বেড়েছে। ঘাটের মনগড়া নিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে স্থানীয় জনসাধারণ। প্রতিদিন বাড়ছে অভিনব পন্থায় হয়রানি, অনিয়ম, দুর্নীতির পরিমাণ। এমনটি জানিয়েছেন মহেশখালী-কক্সবাজার ঘাট পারাপারে যাত্রীরা।
২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টায় প্রচন্ড রোদে যাত্রীদের বোটের অপেক্ষায় দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এসময় অসুস্থ এক যাত্রী ঘাটের এক কোণায় শুয়ে পড়ে। যে ছবি সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। চেষ্টা করে তার পরিচয় জানাযায়নি।
যাত্রীদের অভিযোগ, ঘাটে সারি সারি স্পীড বোট বাঁধা ছিল কর্তৃপক্ষ আগের মতোই আছে। সেই নিয়মে।
আরাফাত, শরীফ, আহসান সহ কয়েকজন যাত্রী জানান, ঘাটে বোট থাকা স্বত্তেও কক্সবাজার থেকে যাত্রী নিয়ে বোট আসার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। তাছাড়া কক্সবাজার থেকে পর্যাপ্ত বোট না আসায় মহেশখালী ঘাটে যাত্রীদের লাইন দীর্ঘ হচ্ছে। এতে করে জেলা সদরে প্রয়োজনীয় কাজ সারতে প্রতিদিন ব্যাঘাতের সৃষ্টি হয়।
এনজিও কর্মকর্তা ও সমাজকর্মী আবু কায়সার জানান, দুই ঘাটে ডিসি অফিস কর্তৃক দীর্ঘদিন ধরে একই ব্যক্তিগণ কর্মরত থাকায় তাদের অবৈধ সম্পদ বেড়েছে আর ঐ টাকার জোরে তারা ঘাটে প্রভাব কাটিয়ে যাত্রীদের সাথে খারাপ আচরণ করে। ঘাটের অব্যবস্থাপনা দুরীকরণে এই সিন্ডিকেট ভাঙ্গা খুবই দরকার। তার জন্য জেলা প্রশাসককে অনুরোধ জানান তিনি।
কবি সুব্রত আপন জানান, চালক নেই এই অজুহাতে ঘাটে বেধে রাখা স্পীডবোট গুলোর বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা নেয়া জরুরি হয়ে পড়ছে। কারণ এই অযুহাতে তারা যাত্রীদের ভীড় বাড়লে বাড়তি ভাড়া আদায়ের সুযোগ নেন।
ভয়েস/জেইউ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.