ভয়েস প্রতিবেদক:
ক্রমাগত বেড়েই চলেছে সবজির দাম। ব্যবসায়ীদের দাবি, তিন কারণে (বাজারে সরবরাহ কম, বন্যা-বৃষ্টি, করোনা) অধিকাংশ সবজির দাম বেড়েছে। এদিকে, নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা।
পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে অতি বৃষ্টি ও বন্যার কারণে সবজির সরবরাহ কমেছে। কৃষকদের কাছ থেকে বাড়তি দাম দিয়ে সবজি কিনতে হচ্ছে। যে কারণে খুচরা বিক্রেতাদের কাছেও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) কক্সবাজার শহরের বড় বাজার, বাহারছড়া বাজার, এবং কানাইয়া বাজারের কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, ৫০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেগুনের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা, বরবটি ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি, গাঁজর ১০ টাকা বেড়ে ৯০ টাকা। তবে সিমের দাম কমেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৪০ টাকা কমে প্রতি কেজি সিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা।
এছাড়া কেজিতে ১০ টাকা দাম বেড়ে প্রতি কেজি দেশি শসা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, হাইব্রিড শসা ৫৫ টাকা, করলা ৫ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা, উস্তা ৬০ টাকা, মানভেদে ঝিঙা-ধন্দুল ১০ টাকা বেড়ে ৭০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, কাঁকরোল আকারভেদে ৬০ থেকে৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ থেকে ৭০ টাকা, পটল ৬৫ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, আলু ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, কচুর লতি ৭০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা।
প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা বেড়ে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা, প্রতি হালি কাঁচকলা ৪০ টাকা, প্রতি পিস জালি কুমড়া ৫০ টাকা, লাউ ৭০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। প্রতি আঁটি লাউ শাক বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকায়, পুঁইশাক ৩০ টাকা, কচুর শাক ১৫ টাকা, লাল শাক ২০ টাকা, শাপলা ১৫ টাকা এবং কলমি শাক ১৫ টাকা প্রতি আঁটিতে।
বড় বাজারে বাজার করতে আসা আবদুস সবুর বলেন, বাজারে এসেই দেখি সবজির দাম চড়া। এভাবে হলে কীভাবে আমরা চলবো? বাজার মনিটরিং কার্যকরভাবে করতে হবে।
বড় বাজারের পাইকারি একজন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, গত কয়েকদিন ঘরেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হচ্ছে। যে কারণে সবজির সরবরাহ আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। এজন্য দাম বেড়েছে।
ভয়েস/জেইউ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.