বিনোদন ডেস্ক:
এ বছর ‘হৃদিতা’ সিনেমার জন্য সরকারি অনুদান পেয়েছেন ইস্পাহানি আরিফ জাহান। এরপর ছবিটি নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি। ছবিটির প্রযোজক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ‘হৃদিতা’র স্থগিতাদেশ চেয়ে উকিল নোটিস পর্যন্ত পাঠিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি আনিসুল হকের কাছ থেকে লিখিত অনুমতি নিয়ে ড্রিমগার্ল নামে সিনেমা তৈরির সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। সেটি পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছিলাম ইস্পাহানি আরিফ জাহানকে। কিন্তু তারা আমাকে কিছু না জানিয়ে একই চিত্রনাট্যের জন্য সরকারি অনুদান নিয়েছে। যার ফলে আমার আর্থিক লোকসান হয়েছে।’ তবে এসব অভিযোগ আমলে না নিয়ে ১০ নভেম্বর থেকে ‘হৃদিতা’ শুরু করতে যাচ্ছেন প্রযোজক-পরিচালক ইস্পাহানি আরিফ জাহান। ইস্পাহানি বলেন, ‘মিজান ভাইয়ের সঙ্গে সম্পর্কটা পুরনো। সামান্য ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। সেটা কেটে গেছে। তাছাড়া উকিল নোটিস নিয়ে আমাদের কোনো বাধা নেই। কারণ ছবিটা স্থগিত করার কোনো আদেশ আমরা পাইনি।’
সিনেমায় ‘হৃদিতা’ চরিত্রে অভিনয় করবেন চিত্রনায়িকা পূজা চেরী। এ সিনেমার মাধ্যমেই তিনি দীর্ঘদিনের লকডাউন কাটিয়ে অভিনয়ে ফিরবেন। পূজা বলেন, ‘পরিচালক আমাকে শ্যুটিংয়ের প্রস্তুতি নিতে বলেছেন। আমিও প্রস্তুত হচ্ছি। অন্যদিকে নজর দেওয়ার দরকার মনে করছি না। ১০ নভেম্বর থেকে উত্তরায় শ্যুটিং হবে। আশা করছি ডিসেম্বরে ছবিটি শেষ করতে পারব।’
চিত্রনাট্যে ৯০-এর দশকের প্রেম-বিরহকে এখনকার সময়ের সঙ্গে বেঁধে ফেলা হয়েছে। পূজা বলেন, ‘একেবারেই নতুন টিমের সঙ্গে কাজ করব। এতদিন যে সিনেমাগুলো করেছি, তার বেশির ভাগ পরিচালকই নতুন। তবে ইস্পাহানি আরিফ জাহান অনেক অভিজ্ঞ পরিচালক। তাই আমার মনে হচ্ছে, এই সিনেমায় আমার খাটুনি একটু কম হবে। নায়ক এ বি এম সুমনের সঙ্গেও এটি আমার প্রথম কাজ। অনেকে ফেইসবুকে বলেছেন তাকে আমার চেয়ে অনেক বড় লাগে। যারা বলেছেন তারা কিছু না জেনেই কথা বলছেন। যারা উপন্যাসটি পড়েছেন তারা জানেন, গল্পে নায়ক হৃদিতার চেয়ে বেশ বড়। সে হিসেবেই সুমন পারফেক্ট।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইস্পাহানি আরিফ জাহান মূলধারার বাণিজ্যিক সিনেমার সফল নির্মাতা। তারা এত দিন যে ধরনের সিনেমা নির্মাণ করেছেন, এটি তেমন নয়। এটি সাহিত্যনির্ভর সিনেমা। জীবনের কাছাকাছি একটি গল্প। হৃদিতা মেয়েটি খুবই শান্ত, আস্তে কথা বলে। কিন্তু তারুণ্যে চঞ্চলতাটাও আছে। তাই এ ধরনের গল্পে কেউ মেলোড্রামাটিক অভিনয় দেখতে চাইবে না। আমি ন্যাচারাল অ্যাক্টিংটাই করব।’
এখন বড় পর্দার অনেক তারকা ওয়েব সিরিজ, শর্টফিল্ম বা টিভিতে কাজ করছেন। কিন্তু পূজা চেরীকে এ পথে এখনো দেখা যায়নি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি সিনেমার মানুষ। সিনেমা মুক্তি না পেলে আমার নতুন কাজ দেখার সুযোগ তেমন নেই। তবে অনেক ভক্ত আমাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বলেন, শিশুশিল্পী থাকাকালে আমি অনেক ভালোমানের টিভিসি করেছি, এখন কেন করি না। আসলে আমি সব কাজেই কোয়ালিটি ধরে রাখতে চাই। তাই অনেক প্রস্তাব পেলেও কাজ করা হয় না টিভিসিতে। ঈদ উপলক্ষে রাঙা পরী মেহেদির বিজ্ঞাপনে মডেল হয়েছি। এটি নির্মাণ করেছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় নির্মাতা মিজানুর রহমান আরিয়ান। টিভিসিটি সবাই পছন্দ করেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘টিভিসি ছাড়াও এর মধ্যে বেশ কিছু শর্টফিল্ম ও ওয়েব সিরিজের প্রস্তাব পেয়েছি। কিন্তু আমি এখন ওসব নিয়ে ভাবছি না। এখন শুধু সিনেমাতেই মনোযোগ দিতে চাই। ভালোমানের সিনেমা নিয়েই দর্শকের সামনে হাজির হওয়ার ইচ্ছা। এখন হাতে যে কটা সিনেমা আছে, সবগুলো নিয়েই আমি আশাবাদী।’
মুক্তির অপেক্ষায় আছে পূজা চেরী অভিনীত ‘জিন’, ‘শান’ ও ‘সাইকো’ সিনেমাগুলো।
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.