ভয়েস প্রতিবেদক, রামু:
জেলার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে রামু নাইক্ষ্যংছড়ি- কাউয়ারখোপ -কচ্ছপিয়া-গর্জনিয়া সড়কের। দীর্ঘ সময় ধরে ভাঙা ও জরাজীর্ণ সড়ক দিয়ে রিকশা-ভ্যান,অটো ও সিএনজি,বাস ও ট্রাক চালকরা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। প্রতিদিনই ঘটছে ছোটখাট দুর্ঘটনা। সড়কের বেহাল দশার কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে স্থানীয়বাসিন্দা থেকে চলাচলকারী যাত্রী সাধারণ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, যথাসময়ে সংস্কারের অভাব, নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে সংস্কার ও নির্মাণ করায় সড়কের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত সৃষ্টির কারণ।
সম্প্রতি বৃষ্টি হওয়ার কারণে রামু গর্জনিয়া ও নাইক্ষ্যংছড়ি সড়কের কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের বাকঁখালী রেঞ্জ অফিসস্থ উত্তর পাশের ব্রিজের অবস্থা মারাত্মক আকার ধারন করেছে। যানবাহন সহ জনসাধারণের চলাচলে পোহাঁতে হচ্ছে দুর্ভোগ। উক্ত সড়ক দিয়ে একটি উপজেলার ও চারটি ইউনিয়নের প্রায় ৪০/৫০ হাজার মানুষ নিয়মিত চলাচল করে। তবে এই ব্রীজটি যদি ভেঙ্গে যায় তাহলে জনসাধারণের রামুতে সহ কক্সাবাজারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সিএনজি চালক জাফর আলম জানান, এই ব্রীজের একপাশ যে ভেংগে গেছে আমি জানতাম না,প্রতিদিনের মতো গাড়ি নিয়ে যাচ্ছিলাম রামু,ব্রীজের গর্তে পড়ে আমার গাড়িটা প্রায় নষ্ট হয় গেচে,এখন আমি গাড়ি ঠিক করব কি দিয়া?এই ব্রিজটির দ্রুত সংস্কার দাবী জানাই আমি।
কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের ০৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা বলছেন, টানা দুইদিন বৃষ্টি হওয়ার কারণে ব্রিজের দুইপাশের মাঠি নরম হয়ে যায়,আগের নষ্টের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্রীজের ৮০% ভেঙ্গে গেছে,,এরকম বৃষ্টি হলে সম্পুর্ন ভেঙ্গে যাবে এই ব্রীজ,,আমরা সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাব,অতিশ্রীঘ্রই যেন ব্রীজ ও রাস্তাটা সংস্কার করা হয়।
কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাক আহাম্মদ জানান, বিষয়টি আমি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে অবগত করব, ব্রিজের দিকে আমি সার্বিক নজর দিয়ে যানবাহন চলাচলের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করব।
সড়কও জনপদ অধিদপ্তর কক্সবাজারে যোগাযোগ করলে তারা জানান, উক্ত সড়কটি আমাদের অন্তভুক্ত নয়,এখানে আমাদের কিছু করার নাই,ব্রীজটি রামু কক্সবাজার জেলার আওতাধীন, আপনারা এর দায় এড়াতে পারেন না, জানতে চাই প্রশ্ন করলে তারা মুঠোফোন রেখে দেন।
রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা প্রনয় চাকমা জানান,আমি বিষয়টা অবগত হওয়ার পরক্ষনেই ওই স্থানে গিয়েছি এবং সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেছি,তারা এসে ঠিক করে দিবে বলে জানিয়েছেন,তবে আমরা উপজেলা প্রশাসন রামু থেকে প্রাথমিকভাবে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করে দিয়েছি।
তাতেই থেমে নেই ওই সড়কের মানুষের দুভোর্গ। উক্ত সড়কে মাছ চাষ,ধান চাষ করা যাবে এমন অবস্থাই পরিলক্ষিত হয় সরেজমিনে গিয়ে। জনসাধারণ মনে করেন দৈব শক্তি ছাড়া কল্পনাও করা যায় না সড়কের উন্নয়ন কাজ।
ভয়েস/জেইউ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.