বিনোদন ডেস্ক:
গতকাল ছিল জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমীর ৪৭তম জন্মদিন। বিশেষ দিনটি কীভাবে কেটেছে? সিনেমা নিয়ে এখন ভাবনা কী? এসব নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন বিন মোস্তফা
জন্মদিন...
আমরা একটি দুঃসময়ের ভেতর দিয়ে যাচ্ছি। তাই ভেবেছি, জন্মদিনে বিশেষ কোনো আয়োজন করব না। তারপরও শুভেচ্ছা বিনিময় চলে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই শুভেচ্ছা জানান। গণমাধ্যমে আমাকে নিয়ে লেখালেখি হয়। অনেক লেখা হৃদয় ছুঁয়ে যায়। একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে এগুলো আমার কাছে আশীর্বাদের মতো।
স্মৃতি...
জন্মদিনে মা-বাবা সবচেয়ে বেশি আনন্দ করতেন। আমি তাদের প্রথম সন্তান। মা প্রায়ই বলতেন, ‘১০ মাসের অপেক্ষা, তারপর সন্তানের জন্ম। সুস্থ সন্তান জন্ম নেবে কি না, এ নিয়ে নানা টেনশন।’ মা হওয়ার পর আমিও মায়ের অনুভূতিগুলো উপলব্ধি করেছি। বাবা বেঁচে নেই। আমাদের বড় করতে তার পরিশ্রমের কথাই মনে পড়ে। আমাকে সারপ্রাইজ দেওয়া খুব কঠিন। তারপরও এখন ছেলেমেয়েরা জন্মদিনে এমন কিছু করে যা দেখে অবাক না হয়ে পারি না। সানি সেভাবে কিছু করে না। একবার জন্মদিনে একটি হার্ট শেপের লাল কুশন উপহার দিয়েছিল। চাপ দিলে ‘আই লাভ ইউ’ শব্দ করে। আমি তো অবাক, বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না যে এটা সানির কাজ। ছেলে ফারদিন ওই দিনই হয়তো বুঝেছিল মাকে বাবা ভালোবাসে!
ছেলে-মেয়ে...
ফারদীন শোবিজে কিছু কাজ করেছে। আমরা তাকে সাপোর্ট করেছি। পরে আমরা দুজন তাকে বলেছি, আগে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। সে সিনেমা নিয়ে আমেরিকায় পড়াশোনা করেছে, তাতে আমরা খুশি। এখন পারিবারিক বিজনেস দেখছে। অভিনয় না করলেও মা-বাবার অভিনয় জীবনের যা কিছু আছে, সবকিছু ফারদীনকেই ধরে রাখতে হবে। যেখানে একজন সেলিব্রেটির জীবনের সবকিছু গুছিয়ে রাখা কঠিন সেখানে আমরা তো দুজন। আর মেয়ে ফাইজা তো বাংলাদেশের নাগরিক না। তাকে ভিসা নিয়ে এ দেশে থাকতে হয়। সিনেমা বা ব্যবসা তার একদম পছন্দ না। পাইলট হতে চায়। তার চাওয়াটাই আমাদের কাছে বড়।
আড়াই যুগের ক্যারিয়ার...
‘মৌসুমী’ হয়ে মানুষের মনে জায়গা করতে পেরেছি। বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে সেন্ট মার্টিন দ্বীপেরই অংশ ছেঁড়াদ্বীপ। ওই দ্বীপে একটি পরিবার ছাড়া আর কেউ বসতি গড়েননি। এখানেই আমার নামে একটি পাথরের নামকরণ করা হয়েছে। যতদিন সেন্ট মার্টিন থাকবে ততদিন লাখ লাখ মানুষ এই দ্বীপে গিয়ে মৌসুমীর সঙ্গে নতুন করে পরিচিত হবেন। এসবই আমার অর্জন। জীবনের হিসাবের খাতায় তাকালে দেখি, আমি যা চেয়েছি, তা-ই পেয়েছি। সফলতা যেমন আছে, ব্যর্থতাও আছে। তবে সেসব বলতে চাই না। এতে সৃষ্টিকর্তা নারাজ হন। আমি বিশ্বাস করি, যা পাইনি, তা আমার জন্য ছিল না।
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.