বিনোদন ডেস্ক:
ভারতীয় টেলিভিশন অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। স্টার জলসায় প্রচারিত ‘বোঝেনা সে বোঝেনা’ ধারাবাহিকে ‘পাখি’ চরিত্রে অভিনয় করে তুমুল দর্শকপ্রিয়তা লাভ করেন। বাংলাদেশেও তার ভক্ত সংখ্যা কম নয়! গত বছর অভিনেতা সৌরভের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর থেকেই আলোচনায় রয়েছেন মধুমিতা।
‘মিষ্টি’ মেয়ের খোলস ছাড়িয়ে বোল্ড অবতারে অভ্যস্ত হওয়ার চেষ্টা করছেন মধুমিতা। সাহসী পোশাকে তোলা ছবি নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে থাকেন তিনি। এ বিষয়ে মধুমিতা সরকার ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে বলেন,‘পাখি’-এর ইমেজ ভাঙতে সময় লেগেছে। ক্যারিয়ারের গোড়ার দিকেই মিষ্টি ইমেজটা ভাঙতে চাই। তাই নানা ধরনের (খোলামেলা) ছবি পোস্ট করি। কমেন্টস নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। কোনো কমেন্ট পড়িও না।
নিজেকে হঠাৎ বদলে ফেলার পেছনে বিবাহবিচ্ছেদ দারুণ প্রভাব ফেলেছে। বিষয়টি স্মরণ করে মধুমিতা সরকার বলেন—জীবনে এত বড় অভিজ্ঞতার মুখোমুখি না হলে হয়তো আমার মধ্যে কাজ করার আগুনটা জ্বলে উঠত না। যেকোনো মানুষকে পরিণত করে তোলে তার জীবনে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা। আমার জীবনেও হয়তো তার দরকার ছিল। যে সময়টা নষ্ট করেছি, তা আমাকে পরিণত করেছে।
মধুমিতার বিবাহবিচ্ছেদের কারণ তার মা বলে গুঞ্জন শোনা যায়। কিন্তু এ তথ্য সত্য নয় বলে দাবি করেছেন মধুমিতা। ব্যাখ্যা করে এ অভিনেত্রী বলেন, মায়ের সঙ্গে আমার যত বন্ধুত্ব, ততটাই ঝগড়া। আমার যতটা না ইগো, মায়ের তার চেয়েও বেশি। মা আমাকে বেশি আঘাত করে কথা বলে। তারপর দু’জনেই ভুল বুঝে ‘সরি’ বলি। কিন্তু আমার আর সৌরভের (চক্রবর্তী) মধ্যে মা কখনো আসেনি। এটা ছিল আমাদের দু’জনের সিদ্ধান্ত।
ভালোবেসে অভিনেতা সৌরভের সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন মধুমিতা। গত বছর তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। বিয়ে বিচ্ছেদের পর থেকে নানাজনের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে তার। কিন্তু মধুমিতার দাবি—আমি সিঙ্গেল। কাজ ছাড়া অন্য কোনো সম্পর্ক থেকে এখন অনেক দূরে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে খানিকটা হলেও আমার সঙ্গে হওয়া বিশ্বাসঘাতকতা দায়ী।সুত্র: রাইজিংবিডি।
ভয়েস/ জেইউ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.