বিশেষ প্রতিবেদক, টেকনাফ:
সেন্টমার্টিন দ্বীপের অদূরে বঙ্গোপসাগর থেকে মাছ ধরার সময় মিয়ানমারের নৌবাহিনী সদস্যরা ৪টি মাছ ধরার নৌকাসহ ২০ বাংলাদেশি জেলে ধরে নিয়ে গেছে। ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেরা সবাই শাহপরীর দ্বীপের বাসিন্দা। তবে সব জেলেদের নাম-ঠিকানা তাৎক্ষণিক পাওয়া যায়নি।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে সেন্টমার্টিনের ছেড়াদিয়ার অদূরে সীতাপাহাড় নামক বঙ্গোপসাগর এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে।
টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ নুরুল আমিন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বুধবার দুপুরে দিকে বঙ্গোপসাগরের সীতাপাহাড় এলাকায় টেকনাফ উপজেলা সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ মাঝেরপাড়া গ্রামের কবির মাঝির ছেলে আমির হোসেন, মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে আবুল বশর ওরফে বাইল্যা, ডাঙ্গারপাড়ার মকবুল আহমেদের ছেলে অলি আহমদ ও আমির হোসেনের ছেলে আমিরুল ইসলামের মালিকানাধীন ৪টি নৌকায় (প্রতিটিতে ৫ জন করে) ২০ জেলেসহ নৌকাগুলোকে অস্ত্রের মুখে ধরে নিয়ে যান মিয়ানমারের নৌবাহিনী। নৌকাসহ জেলেদের ধরে নেওয়ার বিষয়টি মুঠোফোনের মাধ্যমে নৌকার মালিকেরা জানিয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জনপ্রতিনিধি বলেন, মিয়ানমারের নৌবাহিনীর সদস্যরা নৌকাসহ ধরার পর জেলেদের অনেক মারধর করেছে। তিনটি নৌকার জাল কেড়ে নিয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ড স্টেশনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে ও ফোনটি রিসিভ না করায় কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশনের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, ওই এলাকাটি সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ডের আওতাধীন।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে টেকনাফ ২ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান বলেন, ওই অংশটি কোস্টগার্ড সদস্যদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এরপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে কেউ এ পর্যন্ত কোনও ধরনের অবহিত করেনি।
এর আগে গত ১০ নভেম্বর নাফ নফ নদীর মোহনা ও বঙ্গোপসাগর থেকে ৯ বাংলাদেশি জেলেসহ একটি মাছ ধরার নৌকা ধরে নিয়ে গেলেও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তৎপরতায় ২৩ দিনের মধ্য পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত আনা হয়।
ভয়েস/জেইউ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.