বিশেষ প্রতিবেদক:
গত ২৪ঘন্টার ব্যবধানে কক্সবাজারের হিমছড়ি সমুদ্রসৈকতে ভেসে আসা মৃত দুটি তিমির শরীরে দাগের চিহ্ন নিয়ে দুই কর্মকর্তার ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে। কক্সবাজার মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো: আশরাফুল হক বলেছেন, শনিবার সাগর থেকে ভেসে আসা তিমির শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আর কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মো: হুমায়ুন কবির বলেছেন, মৃত তিমি দুটির শরীরে কোন ধরণের চিহ্ন নেই।
শুক্রবার ও শনিবার ২৪ঘন্টার ব্যবধানে হিমছড়ি সমুদ্রসৈকতে দুটি মৃত গলিত তিমি ভেসে আসে। তিমি গুলো জোয়ারের সময় ভেসে সৈকতের বালিয়াড়িতে আটকা পড়লে উৎসুক জনতা ভিড় করে। করোনার লকডাউনের মধ্যেও হাজার হাজার জনতা তিমি গুলো দেখতে ভিড় জমান। একই সাথে পরিদর্শনে যান কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, বনবিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর সহ বিভিন্ন পরিবেশবাদি সংগঠন।
পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কক্সবাজার মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো: আশরাফুল হক বলেছেন, শুক্রবার ভেসে আসা তিমির শরীরের কোন আঘাতের চিহ্ন না থাকলেও শনিবার ভেসে আসা তিমির শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বিশেষ করে তিমির পিঠে বড় ধরণের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
অপরদিকে, কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মো: হুমায়ুন কবির বলেছেন, ‘দুটি তিমির কোনটাতে আঘাতের চিহ্ন নেই। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বয়স্কজনিত কারণে তিমি দুটির মৃত্যুর হতে পারে। তবে নমুনা সংগ্রহের পর প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত কোন কিছু বলা যাচ্ছে না।
উল্লেখ্য, 'শুক্রবার ও শনিবার কক্সবাজারের হিমছড়ি সমুদ্র সৈকতে পৃথকভাবে বিশালাকার দুটি তিমি বালিয়াড়িতে আটকা পড়ে। পরে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নমুনা সংগ্রহের পর সৈকতের বালিয়াড়িতেই মাটিতে পুতে ফেলা হয়।
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.