বিনোদন ডেস্ক:
২০১১ সালে মুক্তি পায় মিলান লুথরিয়া পরিচালিত ‘দ্য ডার্টি পিকচার’। বিদ্যা বালানের অভিনয় জীবনের এক মোড় ঘোরানো ছবি হিসেবে চিহ্নিত হয় একে। একসময়ের ডাকসাইটে অভিনেত্রী সিল্ক স্মিতার জীবন তুলে ধরা হয়েছিল এই ছবিতে।
বিতর্কিত নায়িকার নাম ভূমিকায় অভিনয় করে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন বিদ্যা। জিতে নিয়েছিলেন শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর জাতীয় পুরস্কারও। এখন বলা হচ্ছে, এই চরিত্রের জন্যে মোটেই প্রথম পছন্দ ছিলেন না বিদ্যা বালান।
সম্প্রতি একটি সাক্ষাত্কারে কঙ্গনা দাবি করেন ‘দ্য ডার্টি পিকচার’-এ অভিনয়ের জন্যে প্রথমে নির্মাতারা তার কাছেই যান। কিন্তু সেই ছবির চিত্রনাট্য পড়ে বিশেষ ভালো লাগেনি তার, এককথায় ফিরিয়ে দিয়েছিলেন পরিচালককে। হাত ঘুরে প্রস্তাব যায় বিদ্যার কাছে।
ছবিটির আকাশছোঁয়া সাফল্যের পর কি আফসোস হয়েছিল? কঙ্গনা জানান, প্রশ্নই ওঠে না। তবে নিজের চিরাচরিত ভাবমূর্তি ছেড়ে ছবিটির মুক্তকণ্ঠে প্রশংসাও করলেন। এমনকি বিদ্যা বালানেরও প্রশংসা করেন।
কঙ্গনা বলেন, “ছবি ছাড়ার জন্য ব্যক্তিগত কোনো আফসোস নেই আমার। আমি নাকচ করলেও পরবর্তী সময়ে অসাধারণ ছবি হয়ে উঠেছে ‘দ্য ডার্টি পিকচার’। আমার একবারের জন্যেও মনে হয় না, বিদ্যা যে অসাধারণ অভিনয় করেছেন, তার থেকে আমি আরও বেশি কিছু করতে পারতাম। তবে হ্যাঁ, ছবিটির সম্ভাবনা বুঝতে পারিনি ওই সময়ে।”
এখানেই শেষ নয়। তার মতে বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রীদের তালিকায় নিজের নাম লিখিয়েছেন শুধুমাত্র অন্য ঘরানার ছকভাঙা ছবি করে। এই সাফল্যের জন্যে তাকে রাজকুমার হিরানি, সঞ্জয়লীলা বনশালি, ধর্মা প্রোডাকশনস, ইয়াশ রাজের ছবি বা কোনো খানের শরণাপন্ন হতে হয়নি। তার চেষ্টাতেই এসেছে সব সাফল্য।
বর্তমানে মুক্তির অপেক্ষায় আছে কঙ্গনা অভিনীত ‘থালাইভা’। তামিলনাডুর প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী ও অভিনেত্রীর এই বায়োপিকে নির্মাতাদের প্রথম পছন্দ ছিলেন বিদ্যা বালান। পরে তার স্থলাভিষিক্ত হন কঙ্গনা।
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.