ভয়েস নিউজ ডেস্ক:
করোনা ভাইরাস মহামারী মোকাবিলায় ব্যর্থতার অভিযোগে ট্রাম্প প্রশাসনের দিকে ফের আঙুল তুললেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তিনি বলেছেন, এই মহামারী শেষ পর্যন্ত ফাঁস করে দিয়েছে যে, দায়িত্বে থাকা অনেক লোক জানেন তারা কী করছেন। অনেকে দায়িত্ব পালনের ভানও করেন না।
বিবিসি জানিয়েছে, হিস্টোরিক্যালি ব্ল্যাক কলেজেস অ্যান্ড ইউনিভার্সিটিজের একটি অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দেওয়া শনিবারের ভাষণে এসব কথা বলেন শান্তিতে নোবেলজয়ী নেতা ওবামা। তার ভার্চুয়াল ভাষণটি ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের করোনা মোকাবিলায় নেওয়া ব্যবস্থাকে ‘পুরোপুরি বিশৃঙ্খল বিপর্যয়’ মন্তব্য করে এর কড়া সমালোচনা করেছিলেন বারাক ওবামা। এর পরপরই তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্চে করোনা ভাইরাস টেস্টের অপ্রতুলতার জন্য ওবামা প্রশাসনকে দায়ী করেছিলেন ট্রাম্প। ভ্যাকসিন সংকটের জন্যও সাবেক প্রেসিডেন্টের ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করেছেন তিনি।
এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মোটেও দায়িত্ব নেব না। কারণ আমাদের দেওয়া হয়েছে ভিন্ন একসময়ের একগুচ্ছ নিয়ম, নীতি ও পরিস্থিতি।’ যদিও চলতি সপ্তাহেই সিনেটের এক শুনানিতে ভ্যাকসিন সংকটের জন্য ওবামা দায়ী এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন ট্রাম্পের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ড. অ্যান্থনি ফওসি। হোয়াইট হাউসের দাবি, ট্রাম্প প্রশাসনের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের কারণেই বহু মানুষের প্রাণরক্ষা হয়েছে। যদিও পরিসংখ্যান তা বলে না।
জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির হিসাবে, যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় মারা গেছেন প্রায় ৯০ হাজার মানুষ, আক্রান্ত ১৪ লাখেরও বেশি, যা বিশ্বের অন্যান্য যে কোনো দেশের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। শনিবারের ভাষণে মহামারীর কারণে প্রাণহানির পাশাপাশি অর্থনৈতিক মন্দা ও আইনের শাসন দুর্বল হয়ে যাওয়ার বিষয়েও কথা বলেন বারাক ওবামা। এদিন জর্জিয়ায় জগিংয়ের সময় আহমদ আর্বারি নামে এক কৃষ্ণাঙ্গকে গুলি করে হত্যার কথা উল্লেখ করেন এ ডেমোক্র্যাট নেতা।
আর্বারিকে গত ফেব্রুয়ারিতে হত্যা করা হলেও এ ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর দুই শ্বেতাঙ্গ হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করা হয় মে মাসে। ওবামা বলেন, ‘আমাদের সম্প্রদায়ের ওপর কোভিড ১৯-এর অপ্রতিরোধ্য প্রভাব দেখা যাচ্ছে। যেমনটা দেখি কোনো কৃষ্ণাঙ্গ দৌড়াতে যায় আর কিছু লোক মনে করে তারা তাকে আটকে প্রশ্ন করতে পারে এবং যদি সে তার জবাব না দেয় তবে তাকে গুলি করতে পারে। এ ধরনের অন্যায় নতুন কিছু নয়। নতুন বিষয় হচ্ছে আপনাদের প্রজন্মের বেশিরভাগ মানুষ সচেতন হয়েছে যে, এই অবস্থা ঠিক করা দরকার।’ সূত্র:আমাদের সময় অনলাইন।
ভয়েস/জেইউ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.