বলরাম দাশ অনুপম:
একদিকে গরম, অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’-এর ভয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে লোডশেডিং। সবমিলিয়ে এক ভীতিকর পরিস্থিতিতে রয়েছে কক্সবাজারবাসী। কক্সবাজারে দিনের অন্তত ৮ থেকে ১০ বার হচ্ছে লোডশেডিং। ঘূর্ণিঝড়ের এই সময়ে সূর্যাস্তের পর লোডশেডিংয়ের অন্ধকার ভয় জাগাচ্ছে সাধারণ মানুষের মনে। তীব্র গরমে যেখানে হাঁসফাঁস অবস্থা সেখানে অল্প বৃষ্টি হলেই বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রায়সময়ই দেখা যাচ্ছে বিদ্যুৎ লাইনের ত্রুটি। অনেক সময় বিদ্যুতের তারে গাছ পড়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে সেটা সারাতেও দীর্ঘ সময় লাগছে।
কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুতের নিত্যদিনের চিত্র এটি। বিশেষ করে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের আগমুহূর্তে বিদ্যুতের ‘আসা-যাওয়া’ এ খেলায় ভীষণ ভোগান্তি হচ্ছে আমজনতার। এছাড়া লোডশেডিংয়ে শিক্ষার্থী এবং ব্যবসায়ীও বিপাকে পড়ছেন। আবার বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনের তারের মেয়াদ, দুর্বল খুঁটি নিয়ে অভিযোগ রয়েছে গ্রাহকদের।
জানা গেছে, সামান্য বাতাস হলেই ছিঁড়ে যায় তার। পরে জোড়াতালি দিয়ে আবারো সংযোগ দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে বাতাসের বেগে খুঁটিগুলোও হেলে পড়ে। খুরুশকুলের ছোটন দে নামের এক বিদ্যুৎ গ্রাহক বলেন, পল্লীবিদ্যুৎ অপরিকল্পিতভাবে তাদের সঞ্চালন লাইন টেনেছে। যার মাসুল এখন গ্রাহকদের দিতে হচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী করলে এই লোডশেডিং হতো না। ঘূর্ণিঝড়ের এই সময়ে
বিশেষ করে সন্ধ্যার পর লোডশেডিং আমাদের আতঙ্কিত করছে।
অন্যদিকে পিএমখালীর ছনখোলার গ্রাহক সা্মিন বলেন, একটু দমকা বাতাস হলেই বিদ্যুৎ থাকে না। সঙ্গে প্রতিদিন দীর্ঘ লোডশেডিং। এতে ঠিক মতো ব্যবসা-বাণিজ্যও করা যাচ্ছে না। সেই সঙ্গে অনলাইন শিক্ষার্থীদের ভার্চ্যুয়াল পড়ালেখায়ও ব্যাঘাত ঘটছে।
এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার আখতারজ্জমান লস্কর বলেন, প্রবল দমকা হাওয়া ও বৃষ্টি হলে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা যায়। তাই লোডশেডিং হয়।
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.