প্রিন্ট এর তারিখঃ অগাস্ট ১৫, ২০২৬, ৯:৩৫ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ২৬, ২০২১, ১১:৫৮ পি.এম
পেকুয়ায় রাতের আধারে বেড়িবাঁধ কেটে পাইপ বসানোর চেষ্টা!

ভয়েস প্রতিবেদক, পেকুয়া:
পেকুয়ায় একদল দুর্বৃত্ত ওয়াপদার বেড়িবাঁধ কেটে পাইপ বসানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গতকাল রাতে উপজেলার টৈটং ইউপির উত্তর কাদির পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনায় দুই পক্ষে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পেকুয়া থানা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
এদিকে আইনি প্রতিকার চেয়ে মৃত নজির আহমদের ছেলে আবুল হাশেম ও নুরুল ইসলামের ছেলে মিজানুর রহমান বাবু গং বাদি হয়ে একই এলাকার মৃত নজির আহমদের ছেলে আবুল কালাম ও আমির হোছাইন, ফজলুল হক, নেজাম উদ্দিন, নুরুচ্ছফাসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ও পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন।
লিখিত অভিযোগে বাদিরা উল্লেখ করেন, টৈটং ইউনিয়নস্থ কাদির পাড়ার উত্তর পাশে বেড়িবাঁধের ভেতরে তাদের মালিকনাধীন জায়গা রয়েছে। এছাড়াও বাঁশখালীর বেশ কয়েকজনের জায়গাও আছে। উক্ত জায়গায় পানি সেচের জন্য বেস কয়েকটি নাসি বর্তমানে রয়েছে। বাঁশখালীর মালিকনাধীন জায়গা গুলো বিবাদীরা বর্গা নেয়ার দাবি করে রাতের আধারে বেড়িবাঁধ কেটে পাইপ বসানোর চেষ্টা করে। এ ঘটনার বাদিসহ অপরাপর আরো বেশ কয়েকজন তাদের এমন অপকর্ম বাধা দিতে গেলে দেশীয় অস্ত্র সজ্জিত হয়ে হামলার চেষ্টা করে। এই নিয়ে দুই পক্ষে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে বাদির পক্ষের লোকজন পেকুয়া থানার পুলিশকে ৯৯৯ অবগত করলে পুলিশ গিয়ে দুই পক্ষেকে শান্ত থাকার আহবান জানান।
এই বিষয়ে মিজানুর রহমান বাবু বলেন, বেশ কয়েকবছর ধরে আমরা নিজ জমিসহ অপরাপর মালিকদের কাছ থেকে জমি বর্গা নিয়ে ধান ও লবন চাষ করে আসছিলাম। কিন্তু চলিত বছরে আবুল কালাম গং জমি বর্গা নেয়ার কথা বলে আমাদের জমি জবর দখলের চেষ্টা করতেছে। এমন কি চাষের জমি ধ্বংস করতে বেড়িবাঁধ কেটে পাইপ বসানোর চেষ্টা করে। এই বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছি। অসহায় চাষীদের পক্ষে হয়ে প্রশাসনে কাছ থেকে ন্যায় বিচার আশা করি।
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.