এম.এ আজিজ রাসেল:
সামান্য বৃষ্টি হলেই শহরজুড়ে বাড়ে দুর্ভোগের মাত্রা। জলাবদ্ধতায় নাকাল হয়ে উঠে শহরবাসী। এ যেন শহরবাসীর কপালে চিরচায়িত অভিশাপের চিহ্ন। সড়ক ও ড্রেন সংস্কারের কারণে বর্ষার শুরুতেই চরম কষ্টে দিনাতিপাত করছে সাধারণ মানুষ।
গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টিপাতে টেকপাড়া, বড় বাজার, পাহাড়তলী, আলির জাহাল, এস,এম পাড়া, বিজিবি ক্যাম্প, সদর উপজেলা বাজার এলাকা, বার্মিজ মার্কেট, পেশকার পাড়া, বাজারঘাটা, বৌদ্ধ মন্দির সড়ক, লাইট হাউজ, সৈকত পাড়া, হোটেল মোটেল জোন, সীগাল রোড ও সমিতিপাড়ায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। আবর্জনা ও পাহাড়ি মাটি ড্রেইনে জমে থাকায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে। এতে বৃষ্টি হলে ড্রেইনের পানি উপচে রাস্তায় নেমে আসছে।
টেকপাড়ার বাসিন্দা মো. রিয়াদ জানান, কক্সবাজার পৌরসভার মধ্যে সবচেয়ে বড় অবহেলিত বৃহত্তর টেকপাড়া। এখানকার সড়ক-উপসড়ক ভেঙে চৌচির। কোন যানবাহন এখানে আসতে চায় না। একটু বৃষ্টি হলে রাস্তায় জমে যায় পানি। বাসা-বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে পড়ে ময়লা পানি। স্থানীয় কাউন্সিলরের উদাসীনতায় এখানকার মানুষ কষ্টে আছে।
শত চেষ্টা করা হচ্ছে মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে। তবে এক বছরের মধ্য প্রধান সড়ক সংস্কার হলেই সুফল ভোগ করবে শহরবাসী। লে. কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমদ,চেয়ারম্যান, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
বড় বাজারের ব্যবসায়ী কুদ্দুস করিম বলেন, এখানকার বড় অভিশাপ জলাবদ্ধতা। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়ীরা এই সমস্যায় ভুগছেন। বর্ষাকাল আসলেই সবার মনে কালো দাগ কাটে। বৃষ্টি যেন দুর্ভোগ হয়ে আসে এই এলাকার মানুষের জন্য। বৃষ্টি হলে নালা ও রাস্তার পানি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে নষ্ট হয়ে যায় মালামাল।
হোটেল-মোটেল জোন এলাকার পর্যটন ব্যবসায়ী ইকবাল আহমদ বলেন, দিন দিন সৌন্দর্য্য হারাচ্ছে এই এলাকা। যার প্রভাব পড়ছে পর্যটনে। পর্যটকরা এখানে আসলে নেতিবাচক মনোভাব নিয়ে ফেরেন।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমদ জানান, শত চেষ্টা করা হচ্ছে মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে। তবে এক বছরের মধ্য প্রধান সড়ক সংস্কার হলেই সুফল ভোগ করবে শহরবাসী।
বার বার ড্রেন পরিষ্কার করার পরও আবার ভরাট হয়ে যায়। পাহাড় কাটা, অতিবৃষ্টিতে মাটি নেমে এসে ড্রেনগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার জন্য কাজ চলছে। শীঘ্রই সুফল পাবে জনগন। মুজিবুর রহমান, মেয়র,কক্সবাজার পৌরসভা
এ ব্যাপারে কক্সবাজার পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, বার বার ড্রেন পরিষ্কার করার পরও আবার ভরাট হয়ে যায়। কারণ পাহাড় কাটার কারণে অতিবৃষ্টিতে মাটি নেমে এসে ড্রেনগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, পাহাড় কাটা বন্ধ করার জন্য যৌথভাবে কাজ করতে হবে। পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার জন্য কাজ চলছে। তাছাড়া আগামী ৬ মাসের মধ্যে সংস্কার করা হবে সকল রাস্তা।
ভয়েস/জেইউ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.