বিনোদন ডেস্ক:
তরুণ মডেল ও অভিনেত্রী সেমন্তী সৌমী। তানজীব সরোয়ারের ‘ডুবে ডুবে’ গানের মিউজিক ভিডিও এবং সাম্প্রতিক ‘গার্লস স্কোয়াড’ ওয়েব সিরিজ দিয়ে দর্শকের কাছে পরিচিতি পেয়েছেন। তার সঙ্গে কথা বলেছেন মাসিদ রণ
ব্যস্ততা...
অভিনয় আর মডেলিং নিয়েই ব্যস্ততা। তবে আজ বাড়িতেই আছি। অবসর সময় কাটছে বলতে পারেন। এখন খ- নাটকের কাজ করছি বেশি। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেল হিসেবে কাজ করছি।
মিউজিক ভিডিও...
খুব শিগগিরই দুটি ভালো মিউজিক ভিডিও নিয়ে হাজির হব। একটি ইমরান মাহমুদুলের গান। স্যাড রোমান্টিক ধাঁচের এই গানের ভিডিওতে আমার কো-আর্টিস্ট হিসেবেও তাকে দেখা যাবে। আরেকটি ভিডিও ফাতিমা তুজ যাহরা ঐশীর গাওয়া হিপহপ স্টাইলের গানের। নির্মাণ করেছেন চন্দন রায় চৌধুরী। যেভাবে যত্ন নিয়ে কাজ দুটি করা হয়েছে, তাতে আশা করতেই পারি দর্শকের ভালো লাগবে।
গার্লস স্কোয়াডের সিজন ২ ...
‘গার্লস স্কোয়াড’ ওয়েব প্ল্যাটফর্ম বঙ্গ বিডির একটি অরিজিনালস। শ্যুটিংয়ের সময়ই খুব মজা লাগত। কিন্তু আমরা কেউই প্রত্যাশা করিনি, কাজটি এতটা আলোচিত হবে। এই ওয়েব সিরিজের কিছু অংশ তো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এই কাজটির জন্য যে পরিমাণ দর্শকসাড়া পেয়েছি তাতে মনে হয়েছে এখন দর্শক নাটকই বেশি দেখে। এই কাজটি মানুষের কাছে সহজে পৌঁছানোর পেছনে কয়েকটি কারণ আছে বলে মনে হয়। প্রথমত, আমাদের দেশে ছেলেদের গল্প নিয়ে যেমন ব্যাচেলর পার্টির মতো অনেক নাটক হয়, তেমনভাবে কিন্তু শুধু মেয়েদের গল্প নিয়ে কাজ হয় না। এই ওয়েব সিরিজে আমরা ছয় বান্ধবী একটি মেসে থাকি। কিন্তু ছয়জনের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ছয় রকমের। প্রত্যেকের জীবনে আলাদা গল্প আছে। দর্শক হয়ত এই চরিত্রগুলোর সঙ্গে সহজে কানেক্ট করতে পেরেছে। এটি একেবারেই এ সময়ের আধুনিক মেয়েদের গল্প। আমরা কমেডির মাধ্যমে বর্তমান সময়ের অনেক বাস্তবতা তুলে ধরেছি। নাটকটির জনপ্রিয়তার কথা ভেবে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও নির্মাতা আবারও নিয়ে আসছেন গার্লস স্কোয়াড। ডিসেম্বরেই এর সিজন টুর কাজ শুরু করব। তবে এবার কাস্টিংয়ে কিছু পরিবর্তন আসবে বলে শুনেছি। আমি, মাহি আর চমক থাকছি, এটুকু জানি। বাকি কে থাকছে না আর কে কে যুক্ত হচ্ছে সেটি পরে জানানো হবে। এবারের সিজনও আগের মতো জনপ্রিয়তা ধরে রাখুক, সেই চিন্তা থেকে কাজটি করতে চাই।
সাইবার বুলিং...
আমি কলকাতার মেয়ে। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই বাংলাদেশে বেড়ে ওঠা। সব ধর্মের মানুষের সঙ্গেই আমার বন্ধুত্ব রয়েছে। কোনোদিন আমি হিন্দু, আর কে অন্য ধর্মের তা ভেবে দেখিনি। তাদের কাছ থেকেও তেমন কোনো আচরণ খেয়াল করিনি। কিন্তু গত দুর্গাপূজায় আমার একটি ছবির নিচে যে ধরনের বাজে মন্তব্য দেখতে পাই, তাতে খুব হতাশ হই। এই বাংলাদেশ আমি চিনি না। যেখানে দিন দিন বিশ্ব উন্নত হচ্ছে সেখানে আমাদের দেশের তরুণদের মানসিকতা এত নিচু হয়ে যাচ্ছেএটা ভাবতেই খারাপ লাগে। আমি প্রতিনিয়ত সাইবার বুলিংয়ের শিকার হই।
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.