
দ্বিতীয় প্যাকেজে ১ দশমিক ৯২৯১৬২৫ লাখ ঘনমিটার সড়ক বাঁধে মাটির কাজ, ৩ দশমিক ৫ কিমি নতুন পেভমেন্ট, দশমিক ৪ কিমি বাঁক সরলীকরণ, ৫ দশমিক ৪০ কিমি পেভমেন্ট শক্তিশালীকরণ ও প্রশস্তকরণ, দশমিক ৩০ কিমি রিজিভ পেভমেন্ট, আরসিসি বক্স কালভার্ট ৫টি, আরসিসি ড্রেনেজ সুইস গেট ২টি, ইন্টারসেকশন ১টি, আরসিসি সসার ড্রেন, সাইন-সিগন্যাল, গাইড পোস্ট, রোড মার্কিং নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়াও নতুন করে নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত সড়কাংশ সাবমেরিন ঘাঁটি ‘বানৌজা শেখ হাসিনাতে’ যাতায়াতের জন্য ৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্মিত বেড়িবাঁধের উপর দিয়ে নির্মিত মহাসড়কের কাজ চলমান রয়েছে।
সরেজমিন দেখা গেছে, বরইতলির একতা বাজার থেকে পহরচাঁদা মাদ্রাসার পর্যন্ত সড়কের কার্পেটিং কাজ শেষ হয়েছে। ওই অংশে কালভার্টের কাজ চলমান রয়েছে। পহরচাঁদা থেকে চৌমুহনী পর্যন্ত কার্পেটিং কাজ চলমান রয়েছে। কিছু কিছু অংশে কার্পেটিং কাজ শেষ হয়েছে। চৌমুহনী থেকে পেকুয়া বাজার পর্যন্ত আরসিসি কাজ ৭০ শতাংশ শেষ হয়েছে। পেকুয়া বাজার থেকে মগনামা লঞ্চঘাট পর্যন্ত কার্পেটিং কাজ চলমান রয়েছে। লঞ্চঘাট থেকে সাব মেরিন নৌঘাঁটি পর্যন্ত বেড়িবাঁধটি সংস্কার করে মহাসড়কে রুপান্তর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রতিটি পয়েন্টের কালভার্ট ও ড্রেনেজ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। চলমান রয়েছে পেকুয়া চৌমুহনীস্থ চৌরাস্তায় গোলচত্বরের নির্মাণ কাজ।
পেকুয়া উপজেলা অনলাইন প্রেস ক্লাবের যুগ্ন-সম্পাদক সাংবাদিক জালাল উদ্দিন বলেন, বানৌজা শেখ হাসিনা সাব মেরিন নৌঘাঁটি প্রকল্প যেমন আমাদের জন্য স্বপ্নের মত তেমনি মহাসড়কও স্বপ্নের মত। যা বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাস্তবায়নের শেষ পর্যায়ে। বহির্বিশে^র কাছেও সড়কটি অধিক গুরুত্বপূর্ণ । কারণ সড়কটি দিয়ে আমরা যেমন চলাচল করবো তেমনি দেশ ও বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সড়কটি ব্যবহার করে সাব-মেরিন নৌঘাঁটিতে যাতায়াত করবে। চলাচল করবে বড় বড় যানবাহন। যানজট মুক্ত হবে পেকুয়াবাসী।
পেকুয়া উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম দিদারুল করিম বলেন, বানৌজা শেখ হাসিনা মহাসড়ক দ্রুত গতিতে দৃশ্যমান হচ্ছে। প্রত্যাশিত এ সড়কটির কাজ সম্পন্ন হলে উপকূলীয় এলাকাবাসীর জীবন যাত্রামান আরো উন্নত হবে।
পেকুয়া উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পেকুয়ায় বানৌজা শেখ হাসিনা সাব মেরিন নৌঘাঁটি প্রকল্প চলমান রাখার মধ্যেই বানৌজা শেখ হাসিনা মহাসড়কের কাজ শুরু করে গত ২০২০ সালে। অতিতের কোন সরকার এত বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করেনি। যা আমাদের জন্য স্বপ্নের মত। দৃষ্টিনন্দন সড়কটির উন্নয়ন কাজ শেষ হলে পেকুয়ায় সড়কের যানজট যেমন দূর হবে তেমনি উন্নয়নের আমূল পরিবর্তন হবে।
পেকুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার উন্নয়নে কক্সবাজারকে অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। যার ধারাবাহিকতায় ৩৬১ কোটি টাকা ব্যয়ে মহাসড়কের কাজ বাস্তবায়ন হচ্ছে। যুগান্তকারী সড়ক উন্নয়নের কাজ বাস্তবায়ন শেষ হলে উন্নয়নে বহু বছর এগিয়ে যাবে পেকুয়া।
এ ব্যাপারে কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাফর আলম বলেন, ‘৩৬১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হতে যাওয়া এই সড়কটিই হয়ে উঠবে চকরিয়া, পেকুয়া, কুতুবদিয়া ও মহেশখালীর মানুষের অর্থনীতির চাকা সচলের। একইসাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নামে মগনামায় দেশের প্রথম সাবমেরিন ঘাঁটি তথা ‘বানৌজা শেখ হাসিনা সাবমেরিন ঘাঁটিতে’ যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত হবে এই সড়কটি। চকরিয়া-পেকুয়ার সাংসদ হিসেবে প্রতিটি সময় সড়কটির উন্নয়ন কাজ দেখভাল করে থাকি। দৃষ্টিনন্দন সড়কটির কাজ শেষ হলে চকরিয়া-পেকুয়াবাসীকে দেয়া ওয়াদার একটি পূরুণ হবে ইনশাল্লাহ।
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.