বিশেষ প্রতিবেদক:
টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে ২ লাখ ৫৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় মিয়ানমার নাগরিকসহ ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। গতকাল ২৭ জানুয়ারী নাফ নদীতে পৃথক অভিযানে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
টেকনাফ বিজিবি ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে.কর্ণেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার গতকাল ২৭ জানুয়ারী রাতে ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন । তিনি জানান মিয়ানমার থেকে টেকনাফ স্থলবন্দরে কাঠ বোঝাই করে আসা একটি ট্রলার বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশের সময় মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিজিপি) এর ৩টি স্পীড বোট দিয়ে নাফ নদীতে ধাওয়া করলে ট্রলারটি সাবরাং এলাকায় নাফনদীর জিন্নাহখাল নামক স্থানে বালুচরের উপরে উঠিয়ে দেয়। পরবর্তীতে ট্রলারে অবস্থানরত ৪ ব্যবসায়ী পালিয়ে যাওয়ার সময় বিজিবি টহলদল তাদেরকে আটক করতে সক্ষম হয়। তাদের জবানবন্দি সন্দেহজনক হওয়ায় ট্রলারটিকে টেকনাফ জেটিঘাটে এনে তল্লাশীকালে ট্রলারের ইঞ্জিনের নীচ হতে অভিনব পদ্ধতিতে লুকানো অবস্থায় একটি বস্তা উদ্ধার করা হয়। এ বস্তার ভেতর থেকে ২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা মূল্যমানের ৭৮ হাজার ইয়াবা ও ২ বিদেশী নাগরিকসহ ৪ জনকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- মিয়ানমারের দব্রিচাই এলাকার নেম ইউ চ (৩৬), মন্দ্রাছের ছেওয়াচি (৩৮), টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের শীর্ষ মানবপাচারকারী ও ইয়াবা ব্যবসায়ী মো: রবিউল ইসলামের ছেলে মো: জাহাঙ্গীর আলম (৪২) ও সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীরদ্বীপের মৃত কালু মিয়ার ছেলে মো. হাফেজ আহমেদ (৪০)।
এছাড়া নাফ নদীর খারাংখালী এলাকায় আনুমানিক রাত ১২টা ১৫ মিনিটে সন্দেহভাজন ৫-৬ জন মাদক কারবারীকে একটি কাঠের নৌকায় মিয়ানমারের মুদদ্বীপ থেকে নাফনদী পার হয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আসতে দেখে বিজিবির একটি টহল টিম। নৌকাটি শূন্যরেখা অতিক্রম করে নাফ নদীর তীরে আসলে ২-৩ জন লোক বেড়িবাঁধ দিয়ে নৌকাটির কাছে যায়। তারা নৌকাটির কাছে গেলে নৌকা হতে মাদকের চালান তাদেরকে হস্তান্তর করার সময় বিজিবির টহলদল তৎক্ষণাত তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে।
বিজিবি'র চ্যালেঞ্জকে উপেক্ষা করে মাদক কারবারীরা বিজিবির টহলকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়লে আত্মরক্ষার্থে বিজিবির টহলদলও পাল্টা গুলি ছোঁড়ে। এতে অজ্ঞাতনামা মাদক কারবারীরা নৌকা হতে লাফিয়ে নাফ নদী দিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। এসময় ঘটনাস্থলে তল্লাশী করে নদীর তীরে ২টি বস্তা ইয়াবা উদ্ধার করে। গননা করে এতে ৫কোটি ৪০ লাখ টাকা মূল্যমানের ১ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়। বিজিবি অধিনায়ক আরো জানান- অবৈধ মাদক বহন এবং পাচারের দায়ে অজ্ঞাত দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়াধীন।
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.