ভয়েস প্রতিবেদক:
মহেশখালীতে রাতের আঁধারে শত বছরের পুরোনো বৌদ্ধ শ্মশানের সাইনবোর্ড গায়েব হয়ে গেছে। এ নিয়ে স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।জানা গেছে, বৌদ্ধ সম্প্রদায় মহেশখালীর আদি বাসিন্দা। উপজেলার শিক্ষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যে বৌদ্ধ সম্প্রদায় ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কালের আবর্তে মহেশখালীতে বেড়েছে রাখাইন জনগোষ্ঠীর বসবাস। তাই সময়ের প্রয়োজনে রাখাইন সম্প্রদায়ের লোকজন মারা গেলে শত বছরের পুরোনো উপজেলার গোরকঘাটা দক্ষিণ রাখাইন পাড়া শ্মশানে সৎকার করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি এই শ্মশান নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে গত শনিবার (১২ ফেব্রুয়ারী) গভীর রাতে একদল দুবৃর্ত্ত শ্মশানে স্থাপিত সাইনবোর্ড উপড়ে নিয়ে যায়। ভোরের আলোর ফুটতেই শ্মশানে সাইনবোর্ড না দেখে তোলপাড়া শুরু হয়। রাখাইন সম্প্রদায়ের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ শ্মশানে গিয়ে সাইনবোর্ড না দেখে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে।
এখানকার স্থানীয় বাসিন্দা অংম্রাছা, অংছা থোইন, ফ্রুসাং, মংরি, বু মারি ও সোইনাং চিং বলেন, মহেশখালী যখন মানুষের বসবাস অযোগ্য ছিল তখন থেকে এই শ্মশান রয়েছে। এখানকার প্রথম বসবাস রাখাইন সম্প্রদায়ের। ঐতিহ্যবাহী এই শ্মশান নিয়ে কোন রকম ষড়যন্ত্র বরদাস্ত করা হবে না। সকলকে সাথে নিয়ে আমরা নতুন করে শ্মশানে সাইনবোর্ড স্থাপন করবো। প্রয়োজনে পাহারা বসানো হবে।মহেশখালীর রাখাইন সম্প্রদায়ের মানুষ অবিলম্বে দুবৃর্ত্তদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি তোলেন।
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.