জিকির উল্লাহ জিকু:
শিপলু দে হত্যার প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হত্যার প্রধান আসামী তাজিম উদ্দিন ওরফে নেতা অভ্যন্তরণী দ্বন্দ্বে তাকে হত্যা করেছে বলে জানিয়েছে মহেশখালী থানার পুলিশ।
আজ ৬ জুন মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল হাই এক সংবাদ সম্মেলন করে এবস কথা জানান।
তিনি মিডিয়া ব্রিফিংয়ে জানান, শিপলু দে হত্যা কান্ড একটি পরিকল্পিত হত্যা কান্ড। শিপুল দে এর সাথে তাজিম উদ্দিনের সাথে পূর্বে থেকে বিরোধ ছিল এবং পারিবারিকভাবে তাদের জানাশুনা আর যাতায়ত ছিল। ২৯ মে মহেশখালী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসে শিপলু দে তার বোনকে নিয়ে। ওই সময় ৭ টা বারো মিনিটের সময় একটি ফোন পেয়ে হাসপাতাল থেকে বের হয়। পরে ছাগল দেওয়ার আশ্বাসে টমটম গাড়ি নিয়ে দুইজন সহযোগি নিয়ে ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের গহীনপাহাড়ী এলাকা নাকাটা ঝিরির ওখানে নিয়ে যায় খুনি তমিজ উদ্দিন । সেখানে হাত পা বেঁধে প্রথম শ্বাসরোধ করে পরে গলায় চুরি দিয়ে হত্যা নিশ্চিত করে।
তিনি মিডিয়া ব্রীফিংয়ে আরো জানান, হত্যার পর শিপলু দে’র ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি প্রথমে তিন হাজার টাকা দিয়ে পরে ওই ব্যক্তি চার হাজার টাকা দিয়ে বিক্রি করে দেয়। সেটিও পুলিশ উদ্ধার করেছে। তাজিম উদ্দিনের স্বীকারোক্তি মতে পাহাড়ের উপর থেকে শিপলু দের ব্যবহৃত সেন্ডেলও উদ্ধার করতে সক্ষম হন।
মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল হাই আরো জানান, তাজিম উদ্দিন ওরফে নেতাকে গ্রেফাতারের মাধ্যমে মোটামুটি হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে পেরেছে পুলিশ। বাকি আসামীদেরও শীঘ্রই গ্রেফতার করে আইনের হাতে সোর্পদ করতে পারবে বলে এ সময় তিনি বলেন। তবে প্রথমে দেওয়া এজাহারের আসামীদের সাথে হত্যাকান্ডে অংশ নেওয়া আসামীদের মিল নাই বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাজিম উদ্দিনকে কোর্টে চালান করে দেওয়া হয়েছে।
শিপলূ দে হত্যার প্রধান হোতা একই এলাকা তেলিপাড়া ৮ নং ওয়ার্ডের মৃত আবদুল করিমে পুত্র।
উল্লেখ্য সোমবার (৩০ মে) বিকেল ৪টার দিকে মহেশখালীর গহীন পাহাড় থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় শিপলু দে’র লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল। সে ছোট ইউনিয়নের ঠাকুর তলা হিন্দুপাড়া গ্রামের জীবন হরি পাল প্রকাশ জাপান দে'র পুত্র।
ভয়েস/জেইউ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.