বিনোদন ডেস্ক:
তখন মাত্র ১৬। সেই থেকে শুনছি, আমি ‘সেক্সি’, আমি ‘সাহসী’। শব্দ দুটো সেই যে সেঁটে গেল গায়ে, আর মুছলই না! তখন থেকে এর ভার বইতে বইতে আমি ক্লান্ত। আর ভাল লাগে না শুনতে।
রাস্তায় বা পার্টিতে সাধারণ মানুষ আমায় দেখলেই আড় চোখে এমন ভাবে তাকান যেন পর্দা আর বাস্তবের আমি এক! সত্যিই কি তাই...?’ এই কারণেই নাকি বলিউড থেকে শত হস্ত দূরে সুচিত্রা সেনের ছোট নাতনি রিয়া সেন।
কথাটা অস্বীকার করার উপায় নেই। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে যেভাবে বিকিনি, স্যুইম স্যুট, সাহসী দৃশ্যে একের পর এক অভিনয় করে গেছেন রিয়া তাতে সাধারণ, মানুষ থেকে বলিউড অন্য নজরে তাকে দেখবে বই কি!
রিয়ার অভিযোগ, ‘শুরু থেকে বলিউড আমাকে এই ধরনের চরিত্র দেওয়ায় আজ এই দমবন্ধকর অবস্থা তৈরি হয়েছে। যার ঠ্যালায় আমি মন খুলে মিশতেও পারছিলাম না কারও সঙ্গে। স্কুলের সময় থেকে আজও পর্যন্ত শুনে আসা এই দুটো তকমা তাই যে করেই হোক মুছতে চাইছিলাম। ’ তাই কি তিনি বলিউড ছাড়লেন? ‘একদমই তাই’’, জানিয়েছেন রিয়া। তার আরও দাবি, একঘেয়ে চরিত্র পেতে পেতে তিনি বোরড। দিনের পর দিন চুল কার্ল করে, চড়া মেকআপ নিয়ে আর কাজ করতে পারছিলেন না। তাই অনেক ভেবেচিন্তে এই পদক্ষেপ।
চলতি মাসেই মুক্তি পেয়েছে এমএক্স প্লেয়ার্সের ওয়েব সিরিজ ‘পতি, পত্নী ঔর উও’। যেখানে রিয়া অভিনয় করছেন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে। এই চরিত্র পেয়ে খুশি মুনমুন সেনের ছোট মেয়ে? ‘দারুণ লাগছে কাজ করে। হিন্দি ছবির দুনিয়া থেকে ওয়েব প্ল্যাটফর্ম অনেক অন্যরকম’, জানিয়েছেন উচ্ছ্বসিত রিয়া। আনলিমিটেড খুল্লামখুল্লা হয়ে ‘দেখানো’র আর কিছুই বাকি নেই রিয়ার! একঘেয়ে জিনিস কি দর্শকদেরও রোচে?
১৯৯৮-এ ফাল্গুনী পাঠকের ভিডিয়ো মিউজিক ‘ইয়াদ পিয়া কি আনে লাগি’ মুনমুন কন্যার প্রথম কাজ। বড়পর্দায় তিনি আসেন ১৯৯৯-এ। ভারতী রাজার তামিল রমকম ছবি ‘তাজমহল’-এ। এ ছাড়াও ঝঙ্কার বিটস, আপনা স্বপ্না মানি মানি, হে বেবি সহ বেশ কয়েকটি হিন্দি ছবিতে কাজ করেছেন রিয়া। টলিউডেও নৌকাডুবি, জাতিস্বর সহ বহু ছবিতে অভিনয় করেছেন রিয়া।
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.