ভয়েস বিনোদন ডেস্ক:
দীর্ঘদিন ঘরবন্দি সময় কাটানোর পর আবারও কাজে ফিরেছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। সম্প্রতি তিনি কাজ করেন রায়হান রাফি পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘অক্সিজেন’-এ। এই চলচ্চিত্রটি অনলাইনে উন্মুক্ত হওয়ার পর থেকেই প্রশংসায় ভাসছেন এই নায়িকা। এ বিষয়ে মাহি বলেন, ‘অক্সিজেন আমার ক্যারিয়ারে নতুন একটা মোড় নিয়ে এসেছে। মানুষ অক্সিজেন দেখে বলছে আমি ভালো অভিনয় করেছি। এটা আমার ক্যারিয়ারের জন্য একটা ভালো বিষয়। আমি খুবই সৌভাগ্যবান যে, অক্সিজেনে আমাকে কাস্ট করা হয়েছিল। আমি যে ভালো অ্যাক্টিং করতে পারি এটা আমি নিজেও জানতাম না। অক্সিজেন দেখার পর আমি অনেক কাজের প্রস্তাবও পাচ্ছি। কিছু পরিচালক আছেন, যারা অফট্র্যাকের সিনেমা বানান, তারাও এখন আমাকে নিয়ে চিন্তাভাবনা করছেন। এটা আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। ফলে আমি বলব, আমার ক্যারিয়ারে অক্সিজেন অন্যমাত্রা যোগ করেছে।’
অল্প কয়েকদিনের ব্যবধানেই মাহি চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন দুটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে। একটি অনন্য মামুন পরিচালিত ‘নবাব এলএলবি’, অন্যটি মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত ‘আশীর্বাদ’। মাহি বলেন, ‘রিসেন্টলি আমি দুটি সিনেমায় সাইন করেছি। দুটি প্রজেক্ট নিয়েই আমি আশাবাদী। ‘আশীর্বাদ’ সিনেমাটি অটিজম নিয়ে নির্মিত হচ্ছে। অপরদিকে ‘নবাব এলএলবি’তে আমি একজন অ্যাডভোকেটের চরিত্রে অভিনয় করব।’
মাহি জানালেন তার ব্যক্তি জীবনও ভালো কাটছে। সম্প্রতি মাহির বিয়ে বিচ্ছেদের গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। তারপর আবার স্বামী অপুর সঙ্গে ফেইসবুকে ছবি প্রকাশ করে সেই গুঞ্জনের ইতি টানেন। প্রকৃতপক্ষে কী ঘটেছিল জানতে চাইলে মাহি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘মাঝখানে ফেইসবুকে অপুর সঙ্গে ছবি প্রকাশ করিনি। এখন ছবি দিচ্ছি। অপুও এখন ছবি দেয়। অপুর সঙ্গে আমার ঝামেলাটা হয় ফেইসবুকে ছবি দেওয়া, না দেওয়া নিয়ে। আমি এত এত ছবি আপলোড দিই কিন্তু ও কেন ছবি আপলোড করে না। এ জন্য মাঝখানে আমি অপুকে আল্টিমেটাম দিয়ে ফেইসবুকে কোনো ছবি পোস্ট করিনি। এই সুযোগেই লোকজন গুঞ্জন ছড়ায়। যাই হোক এখন অপুর সঙ্গে ডিল হয়েছে, অপু ফেইসবুকে ছবি দিলে আমিও ছবি দেব। ওর ওপর আমার রাগ ছিল। ও রোমান্টিক নয় কেন? সেটা মিটে গেছে। এখন অপুও ছবিটবি দিচ্ছে। ফলে এখন আর কোনো সমস্যা নেই।’
সিনেমা অঙ্গনে নানা বিষয় নিয়ে অস্থিরতা চলছে। দলাদলি, ভেদাভেদ নিয়েও মাহি চিন্তিত। তিনি বলেন, ‘দয়া করে কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করুন। নায়ক-নায়িকাদের একটা ইমেজ ছিল দর্শকদের সামনে। নায়ক-নায়িকারা কী করে, কী খায়? এইসব নিয়ে ভক্তরা চিন্তাভাবনা করত। নায়িকারা শুঁটকি ভর্তা কি জীবনেও খেয়েছে? নাকি সবসময় গুরুর মাংস পোলাও খায়- এমনটাও ভাবতে দেখেছি অনেককে। মানে বলতে চাচ্ছি তারকাদের লাইফ স্টাইল নিয়ে সাধারণ মানুষদের খুব আগ্রহ থাকে। কিন্তু সেই সাধারণ মানুষদের সামনেই যে আমাদের নিয়ে এরকম কাদা ছোড়াছুড়ি হচ্ছে, একটা শিল্পীকে নিয়ে হওয়া মানে সব শিল্পীরই ইমেজে আঘাত হানা। তো আমাদের ইমেজটা নষ্ট হচ্ছে মানুষের সামনে। আমার মনে হয় সবারই ডিসিপ্লিনে চলা উচিত। সবাই ঠিকঠাক করে চলা উচিত। যার যেটা দোষ তার সেটা সুরাহা করা উচিত। আমি মনে করি সবাই একসঙ্গে হয়ে অ্যাকশন নিক। কেউ অপরাধ করলে শাস্তি দিক, কারও ভুল হলে সেটা শুধরে নিক। নাহলে এভাবে সমস্যাগুলো ঝুলে থাকলে সমস্যা আরও বাড়বে। আমাদের প্রতি দর্শকদের আগ্রহও কমে যাবে।’ সূত্র:দেশরূপান্তর।
ভয়েস/জেইউ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.