সোমবার, ২৯ মে ২০২৩, ০৯:৪১ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

আটক হননি আরাভ খান: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আরাভ খান, ফাইল ছবি

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেছেন, দুবাইয়ে পালিয়ে থাকা রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খান এখনো সেখানে আটক হননি। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

চার বছর আগে ঢাকায় এক পুলিশ কর্মকর্তা হত্যার আসামি হওয়ার পর দেশ থেকে পালিয়ে যান রবিউল ইসলাম। প্রথমে ভারতে গিয়ে আরাভ খান নামে পাসপোর্ট নিয়ে দুবাইয়ে যান তিনি। সেখানে এখন বড় স্বর্ণ ব্যবসায়ী হয়ে উঠেছেন এই পলাতক আসামি। ১৫ মার্চ দুবাইয়ের নিউ গোল্ড সুকে জমকালো অনুষ্ঠানে আরাভ জুয়েলার্স নামে একটি গয়নার দোকানের উদ্বোধন করেন তিনি। ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ক্রীড়া ও বিনোদনজগতের অনেক তারকাকে হাজির করে গণমাধ্যমের আলোচনায় উঠে আসেন রবিউল ইসলাম।

পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভারতীয় পাসপোর্ট নিয়ে দুবাইয়ে থাকলেও প্রবাসীদের কাছে তিনি বাংলাদেশি হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। এর মধ্যে ভারতীয় পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশে ঘুরে গেছেন তিনি।

রবিউলের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায়। তাঁর বাবা একজন ভাঙাড়ি ব্যবসায়ী। কয়েক বছরের মধ্যে তাঁর এত টাকার মালিক বনে যাওয়া স্থানীয় লোকজনের মধ্যে বিস্ময় সৃষ্টি করেছে।

রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খানকে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হয়েছে বাংলাদেশের পুলিশ। তাঁর নামে ‘রেড নোটিশ’ জারি করেছে ইন্টারপোল। এ প্রেক্ষাপটে আজ দুপুর থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দুবাইয়ে রবিউলের আটকের খবর আসতে থাকে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশের কোনো অপরাধী রাজনৈতিক আশ্রয় ছাড়া অন্য কোনো দেশে স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াতে পারবেন, এটা ভাবার কোনো অবকাশ নেই।

রবিউলকে দেশে ফিরিয়ে আনতে যোগাযোগ করছেন কি না, জানতে চাইলে শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘এরই মধ্যে আমরা তাঁর বিষয়ে সে দেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি।’

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION