এস.এম রুবেল, মহেশখালী:
ছোট মহেশখালী লম্বাঘোনা বাজার থেকে পূর্ব দিকে মুদিরছড়া গ্রামে যাওয়ার রাস্তা দিয়ে আহমদিয়া কাটা গ্রামে প্রবেশ করতে হয়। রাস্তাটির প্রবেশ মুখ থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত প্রায় বিধ্বস্ত অবস্থায় পড়ে আছে। ছোট বড় গর্ত ছাড়াও মাঝখানে পাহাড়ি ছড়ায় রাস্তার ভাঙ্গা অংশটি একেবারে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিশেষ প্রয়োজনে যানবাহন নিতে হলে ছরাটি ঠেলে পার করতে হয়।
মোহাম্মদ ইসমাইল, সোলেমান, ছাদেক সহ একাধিক এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, গত ইউপি নির্বাচনের পর থেকে কোন জনপ্রতিনিধি রাস্তাটির সংস্কারে উদ্যোগ নেয়নি। তারা শুধু ভোটের আগে নানান প্রতিশ্রুতি দিতে গ্রামে আসেন। রাস্তাটির এই বেহাল দশার কারণে রোগী, গর্ভবতী নারী, বৃদ্ধ ও ছাত্রছাত্রীদের বেশি অসুবিধে হয়।
এলাকাবাসীরা আরো জানান, শুধু রাস্তাঘাট নয় গ্রামের অবকাঠামো উন্নয়নে জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা রহস্যজনক। স্থানীয় মেম্বার, মহিলা সদস্য ও চেয়ারম্যানের কোন ভূমিকা ছিলনা বললেও চলে। তারা রাস্তার উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ পাওয়া যায়নি বলে এড়িয়ে চলেন।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরো কয়েকজন এলকাবাসী জানান, বর্তমান ছোট মহেশখালীর ইউপি চেয়ারম্যান জিহাদ বিন আলী নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে কোন গ্রামে তেমন কোন উন্নয়ন হয়নি।
তাছাড়া স্থানীয়দের আক্ষেপ, বিগত পাঁচ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি মহেশখালীর ছোটমহেশখালী ইউনিয়নের আহমদিয়া কাটা গ্রামের প্রধান রাস্তার। প্রায় দুই কিলোমিটারের এই কাঁচা রাস্তা দিয়ে নানান প্রতিকূলতার মাঝে গ্রামটির প্রায় ৭ হাজার মানুষ চলাচল করছে। বর্ষামৌসুমে এই রাস্তা দিয়ে কোন ধরণের যান চলাচল করতে পারেনা। এতে জনসাধারণের পোহাতে হয় অসহনীয় দুর্ভোগ। এই দুর্ভোগ এক দুদিনের নয়, গত ৫ বছরের অধিক সময় ধরে এই রাস্তাটিতে কোন ধরণের সংস্কার করা হয়নি বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এই ব্যাপারে ছোট মহেশখালী ইউপি চেয়ারম্যান জিহাদ বিন আলী বলেন, আহমদিয়া কাটার এই রাস্তাটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরে প্রকল্প দাখিল করা হয়েছে। অপরদিকে অন্যান্য অভিযোগ গুলো সঠিক নয়। মুলত প্রতিপক্ষরা নির্বাচন সন্নিকটে আসায় আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ছড়াচ্ছে।
ভয়েস/জেইউ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.