ভয়েস প্রতিবেদক:
মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিলা (আফজলিয়া পাড়ায়) বৃষ্টির পানি ও পাহাড়ী ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বসতবাড়ী পরিদর্শনে যান মহেশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুইচিং মং মারমা।
আজ (৩মে) বিকাল ৫টার সময় তিনি উত্তর নলবিলা (আফজলিয়া পাড়া) ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি ও স্থান দেখতে যান।
তিনি কক্সবাজার ভয়েসকে বলেন, মীর আকতার কোম্পানীর কাজের কারণে ওই এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে খবর পেয়ে পরিদর্শনে যান। ক্ষতির মধ্যে কয়েকটি বাড়ির মাটির দেয়াল ধ্বসে পড়ার সম্ভাবনা আছে। ধানের গোয়ালা নষ্ট হয়ে ধানের ক্ষতি হয়েছে এবং পাশ্ববর্তী ধান ক্ষেতেরও ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়েছে তিনিও দেখতে পান।
এসি ল্যান্ড বলেন, মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার জামিরুল ইসলামের নির্দেশে মীর আকাতর কোম্পানী’র লজিস্টিক অফিসার, একাউটেন্ট অফিসার ও প্রজেক্ট অফিসারের সাথে কথা বলেছেন। এবং ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মীর আকতার কোং ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে বলে মেনে নিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, মহেশখালীর উত্তর নলবিলা (আফজলিয়া পাড়ায়) ৪-৫ টি বসতঘরে পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে । ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ীর মালিক জিয়াউর রহমান জানান , মীর আকতার কোম্পানীর লোকজন পানি চলাচলের কালভার্ট বন্ধ করে তাদের নির্মাণ কাজ করায় পাহাড়ী ঢল নেমে আমাদের বাড়ীতে ঢুকে পড়ে ।যার ফলে আমাদের প্রচুর ক্ষতি হয়েছে । জানা যায় , ৩ মে রবিবার সকালে হঠাৎ ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ী ঢলে উত্তর নলবিলা আফজলিয়া পাড়ার ৪/৫টি বসতভিটায় পানি প্রবেশ করে ।
এর আগেও গ্রীষ্মকালে মীর আকতার কোম্পানী সাগর থেকে উত্তোলিত বালি ভাড়া করা জায়গায় লবনাক্ত বালির স্তুপে পাশ্ববর্তী কৃষকের রোপনকৃত নতুন ধানের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে। স্থানীয়দের অভিযোগ মীর আকতার কোং কাজ করার সময় জনস্বার্থকে খুবই অবহেলা করে।
ভয়েস/জেইউ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.