ভয়েস নিউজ ডেস্ক:
তাপমাত্রা কমেনি খুব একটা। তবে জমাট বাধা কুয়াশা, আর দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে যাওয়ায় শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। ১৭ বা ১৮ ডিসেম্বর থেকে তাপমাত্রা কমতে শুরু করতে পারে। ওই সময় সপ্তাহখানেক দেশের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। আর আজ শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। এ কারণে এসব এলাকার নৌযানকে সাবধানে চলাচল করতে সতর্ক করে দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, ‘এখন দিনের তাপমাত্রা ও রাতের তাপমাত্রার মধ্যে যে পার্থক্য তা কমে এসেছে। এ কারণে তাপমাত্রা খুব না কমলেও শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। তবে তাপমাত্রা আসেলে এখনও তেমন একটা কমেনি। আগামী সপ্তাহে বেশ খানিকটা কমে যাবে। ১৭ বা ১৮ তারিখের দিকে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।’
আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, মৌসুমী লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার ও এর আশেপাশের এলাকা পর্যন্ত অবস্থান করছে। এর প্রভাবে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে দুপুর পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্য এলাকায় মাঝারি থেকে হালকা কুয়াশা পড়তে পারে।
কুয়াশার কারণে বিঘ্নিত হচ্ছে ফেরি চলাচল
এদিকে নদী বন্দরগুলোর জন্য আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এক সতর্কবার্তায় বলা হয়, আজ সকাল ১০টা থেকে আগামী দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে দেশের নদী অববাহিকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা ৪০০ মিটার অথবা কোথাও কোথাও এর চেয়ে কম হতে পারে। এসব এলাকার নৌযানগুলোকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। তবে কোনও সংকেত দেখাতে হবে না।
আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা চট্টগ্রাম বিভাগের সীতাকুণ্ডে ১৪ দশমিক ৩। এদিকে ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একইভাবে ময়মনসিংহে ১৫ দশমিক ৬, চট্টগ্রামে ১৭ দশমিক ৪, সিলেটে ১৬ দশমিক ৪ , রাজশাহীতে ১৬, রংপুরে ১৬ দশমিক ৩, খুলনায় ১৬ এবং বরিশালে ছিল ১৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.