ভয়েস নিউজ ডেস্ক:
মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর বাঁ পায়ের পাতায় হাড়ে চির পাওয়া গেছে। বুধবার গভীর রাতে বাঙুর ইনস্টিটিউট অফ নিউরো সায়েন্স এ তার এমআরআই হওয়ার পর চিকিৎসকরা এই কথা জানিয়েছেন। মমতার কোমরে, বুকে এবং মাথাতেও চোট লেগেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের চিকিৎসক -সাংসদ ডা. শান্তনু সেন গভীররাতে জানান যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আঘাতের যা ধরণ তাতে তার বাঁ পায়ের পাতায় প্লাস্টার করা হতে পারে। তার অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়ে ডা. শান্তনু সেন বলেন, প্রচারের ব্যাপারটা অনিশ্চিত হয়ে গেল।
যদিও ট্রমা কাটিয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার প্রচারের বৃত্তে ফিরতে চাইছেন। কিন্তু, চিকিৎসকরা এখনই তাঁকে সেই অনুমতি দেবেন কিনা সন্দেহ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর অভিযোগ, তিনি যখন নন্দীগ্রামের বিলোনিয়া বাজারের কাছে রাস্তায় নেমে মানুষের অভিবাদন গ্রহণ করছিলেন, তখন চার পাঁচজন যুবক ভিড়ের মধ্যে ধাক্কা দিয়ে তাকে ফেলে দেয়।
তিনি গাড়িতে উঠতে গেলে গাড়ির দরজা সশব্দে বন্ধ করে দেয়া হয়। পায়ের ওপর গাড়ির দরজা পড়ে আহত হন মমতা। রাতেই তাকে গ্রিন করিডোর তৈরি করে সড়কপথে কলকাতায় আনা হয়।
এস এস কে এম হাসপাতালের উডবার্ন ওয়ার্ড এর সাড়ে বারো নম্বর কেবিনে রাখা হয় তাকে। হাসপাতালে ছুটে আসেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাসরা। রাতে তৃণমূল কংগ্রেসের তাবড় বিধায়করা হাজির হন এস এস কে এম হাসপাতালে। হাসপাতাল চত্বর ততক্ষনে তৃণমূল সমর্থকদের ভিড়ে প্লাবিত হয়ে যায়। মমতা আহত শুনে দূর দূর প্রান্ত থেকে দিদির অনুগামীরা ভিড় জমান হাসপাতাল চত্বরে। রাতের দিকে রাজ্যপাল জগদীশ ধনখর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাসপাতালে দেখতে এলে হাসপাতাল চত্বর গো ব্যাক ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে। রাজ্যপাল ফেরার সময় তাকে লক্ষ্য করে চপ্পলও উড়ে আসে। দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গের নানা জায়গায় এই ঘটনার জেরে রেল ও রাস্তা অবরোধ হয় বুধবার রাতেই।
তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাস্তা থেকে হটাতে এই ঘৃণ্য পথ নিয়েছে। বিজেপি মমতা বন্দ্যোপাধ্যের ওপর এই আক্রমণ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। তাদের বক্তব্য, ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ে থাকা, জেড ক্যাটাগরির অধিকারী মমতা আক্রান্ত হলেন কি ভাবে? তাঁরা সিবিআই তদন্ত চেয়েছেন এই ব্যাপারে। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, নির্বাচন ঘোষণা হতেই পুলিশ নির্বাচন কমিশন এর আওতায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর নিরাপত্তায় নন্দীগ্রামে পর্যাপ্ত পুলিশ ছিল না। সুত্র: মানবজমিন।
ভয়েস/ জেইউ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.