আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মিয়ানমার ইস্যুতে নতুন এক অবস্থান নিয়েছে চীন। তাদের এই অবস্থান দৃশ্যত মিয়ামনারের সামরিক জান্তার পক্ষ নেয়া। এতে চীন বলেছে, তারা মিয়ানমারে গণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তর চায়। কিন্তু মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কোনো নিষেধাজ্ঞার পক্ষে নয়।
এ খবর দিয়েছে অনলাইন স্ট্রেইট টাইমস। ওদিকে দেশটি গৃহযুদ্ধের একেবারে কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছে। জাতিগত সংখ্যালঘু সশস্ত্র গ্রুপগুলো বিক্ষোভকারীদের পাশে ‘যুদ্ধ’ করার প্রত্যয় ঘোষণা করেছে। কয়েক হাজার মানুষ পার্শ্ববর্তী থাইল্যান্ডে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে।
আকাশ থেকে ফেলা হয়েছে বোমা। এক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সেখানে যখন কমপক্ষে ৫২১ জন মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে সামরিক জান্তা, তখন চীন এমন অবস্থানের কথা জানিয়েছে।
জাতিসংঘে নিরাপত্তা পরিষদের এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে চীনের রাষ্ট্রদূত ঝাং জুন বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব মিয়ানমারে শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠা, স্থিতিশীলতা ফেরানো এবং সাংবিধানিক শৃংখলা ফেরানোর আশা করে চীন। গণতান্ত্রিক ক্ষমতা হস্তান্তর চায় মসৃণভাবে। তিনি বিবৃতিতে আরো বলেন, মিয়ানমারে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ধরে রাখা হলো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য অভিন্ন স্বার্থ। মিয়ানমার যদি উত্তাল এক অবস্থায় নিপতিত হয়, তাহলে তা হবে মিয়ানমার এবং পুরো অঞ্চলের জন্য এক বিপর্যয়।
উল্লেখ্য, গত ১লা ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থান ঘটিয়ে নির্বাচিত নেতৃত্বকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে সামরিক জান্তা। তারপর থেকে তারা ভয়াবহভাবে বিক্ষোভকারীদের সহিংস উপায়ে দমন করছে। এতে কমপক্ষে ৫২১ জন সাধারণ মানুষের প্রাণ গেছে। এই মিয়ানমার চীনকে তাদের অন্যতম প্রধান মিত্র হিসেবে দেখে। তাই মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ দেয়ার অব্যাহত বিরোধিতা করছে চীন। রাষ্ট্রদূত ঝাং জুন বলেন, একপেশে চাপ, আরো নিষেধাজ্ঞা এবং অন্য যেকোনো ক্ষতিকর পদক্ষেপ মিয়ানমারে উত্তেজনাকে শুধু বাড়াবেই না। একই সঙ্গে লড়াই আরো জটিল অবস্থায় চলে যাবে। এটা কোনো গঠনমূলক পদক্ষেপ হতে পারে না। এ সময় তিনি মিয়ানমারে বিদেশিদের বাণিজ্য সুরক্ষার আহ্বান জানান। এটা চীনের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের বিষয়। মিয়ানমারে চীনের কয়েক ডজন কারখানায় আগুন দেয়া হয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়েছে বেইজিং।
রাষ্ট্রদূত আরো বলেছেন, আমরা আশা করি মিয়ানমারের সব পক্ষই শান্ত থাকবে, সংযম চর্চা করবে, উত্তেজনা প্রশমনে গঠনমূলক ভূমিকা নেবে এবং পরিস্থিতি শান্ত করবে। মিয়ানমারের জনগণের এবং বিদেশিদের সহায়, সম্পত্তি, জীবন ও ব্যবসা সুরক্ষিত রাখতে হবে। এসবের ওপর কোনো হামলা হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। সুত্র: মানবজমিন।
ভয়েস/ জেইউ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.