আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
নৃশংস হামলার পর যুদ্ধবিরতি চুক্তির ১১ দিন পরে আবারও ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। মঙ্গলবার দিবাগত শেষ রাতে ইসরাইলের এই হামলায় কেঁপে ওঠে গাজা। বহু দূর থেকে শোনা যায় বিস্ফোরণের শব্দ। মানুষ যখন গভীর ঘুমে অচেতন, এমন সময়কে বেছে নিয়েছে ইসরাইল। তাদের বোমার বিকট শব্দে ঘুম ভেঙেছে মানুষের।
এ সময় তারা আকস্মিক কিছু বুঝে উঠতে পারেনি। ফলে উদ্ভ্রান্তের মতো ছোটাছুটি করেছেন তারা। রাতের শেষ দিকে এ হামলা হওয়ার কারণে কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা কোন প্রাণহানী হয়েছে কিনা তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায় নি।
অনলাইন বিবিসি বলেছে, গাজা উপত্যকা থেকে অবমাননাকর বেলুন উড়িয়েছে যোদ্ধা গোষ্ঠী হামাস। তাদের ওই বেলুন গাজার উদ্দেশে ছাড়া হয়েছে। এর প্রতিবাদে হামাসকে টার্গেট করে ইসরাইল ওই বিমান হামলা চালায়। এতে আরো বলা হয়, মঙ্গলবার বেশ কিছু বেলুন উড়ানো হয় গাজা থেকে। তা উড়ে যায় ইসরাইলে। এর ফলে বেশ কিছু স্থানে অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়। উল্লেখ্য, ইসরাইলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার এর আগে ২০১৪ সালের পর গাজায় সবচেয়ে নিকৃষ্ঠ বোমা হামলা চালায়। এতে শিশু, নারী সহ বিপুল সংখ্যক মানুষ নিহত হয়েছেন। মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয়া হয়েছে স্কুল, মিডিয়া হাউজ, বহুতল ভবন। এরপর পশ্চিমা বিশ্বের চাপে গত ২১ শে মে ইসরাইল ও গাজার হামাস যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। তারপর আজ ভোরে নতুন করে বিমান হামলা চালালো ইসরাইল। নতুন প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের অধীনে এটাই ফিলিস্তিনে প্রথম হামলা।
এর আগে মঙ্গলবার দখলীকৃত পূর্ব জেরুজালেমে ইহুদি জাতীয়তাবাদীরা র্যালি করে। র্যালির বিরুদ্ধে আগে থেকেই হুমকি দিয়েছিল হামাস।
ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী বলেছে, গাজা শহরের খান ইউনুসে হামাসের সামরিক কম্পাউন্ডে যুদ্ধবিমান থেকে হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি ওই কম্পাউন্ডের ভিতরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানো হতো। তাই সব রকম পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী। অন্যদিকে হামাসের একজন মুখপাত্র টুইটারে এক বিবৃতিতে ফিলিস্তিনিদেরকে তাদের সাহসী প্রতিরোধ, অধিকারের পক্ষে এবং পবিত্র স্থাপনা রক্ষার জন্য অব্যাহতভাবে প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানান।
ইসরাইলের ফায়ার সার্ভিস থেকে বলা হয়েছে, বিমান হামলার আগে গাজা থেকে অবমাননাকর বেলুন উড়ানো হয়েছে। তা দক্ষিণ ইসরাইলে কমপক্ষে ২০টি স্থানে অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি করেছে।সূত্র:মানবজমিন।
ভয়েস/জেইউ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.