আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
টাকা চাইতে গেলে পাওনাদারদের করোনার ভুয়া টিকা দিতেন পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় ভুয়া টিকাকরণ চক্রের হোতা দেবাঞ্জন দেব। শনিবার তদন্ত কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে কলকাতার সংবাদমাধ্যমগুলো এ তথ্য জানিয়েছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভুয়া আইএএস কর্মকর্তা দেবাঞ্জনের খুঁটিনাটি জানতে আরও বেশ কয়েকটি তথ্য হাতে এসেছে। ট্যাংরার এক ব্যবসায়ী দেবাঞ্জনের থেকে মোটা অঙ্কের টাকা পেতেন। টাকা চাইতে গেলে তাকে জোর করে টিকা দিয়েছে তিনি। এভাবেই সে পাওনাদারদের পরিবারের সদস্যদের টিকা দিত জোর করে।
কলকাতার কসবার ভুয়া টিকাকরণ শিবির থেকে নিজের বান্ধবীকেও টিকা দিয়েছিলেন দেবাঞ্জন দেব। শুধু বান্ধবী নয়, আরও চার বন্ধু ও তাদের পরিবারের সদস্যদেরও সেখান থেকেই টিকা দেওয়া হয়। প্রতারণার খবর সামনে আসার পর থেকে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন তারা।
দেবাঞ্জনের বান্ধবী বলেন, ‘আমাদের রাতের ঘুম উড়ে গেছে। আমাদের সঙ্গে এ রকম কেন করল? খুব রাগ হচ্ছে। আবার মাঝে মাঝে মনে হচ্ছে, আমাদেরও কি ভুয়া টিকা দিয়েছে? না কি আমাদের ঠিক টিকা দিয়েছে। খবরটা শোনার পর থেকে কাউকে বিশ্বাস করতে পারছি না।’
তরুণীর দাবি, তাকে দেবাঞ্জন স্পুৎনিক ভি টিকা নিতে বলেছিলেন। দেবাঞ্জনের বোন বলেছিলেন, তাকেও বাড়িতে স্পুৎনিক টিকা দিয়েছেন দেবাঞ্জন। এটা শুনে তিনি স্পুৎনিকের টিকা নেন। এমনকি তার বাবার কোভিশিল্ডের দ্বিতীয় টিকা নেওয়ার সময় না হলেও তাকে স্পুৎনিকের টিকা দেন দেবাঞ্জন। ১১ জুন তার মা এবং বাকি বন্ধুদের বাবা-মায়েরাও কসবার ওই ভুয়া শিবির থেকেই টিকা নিয়েছিলেন।
গত সপ্তাহে কসবার টিকাকেন্দ্রে টিকা নেন তৃণমূলের বিধায়ক ও অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। কিন্তু টিকা নেওয়ার পর মোবাইল ফোনে বার্তা না আসায় মিমির সন্দেহ হয়। পরে তিনি শরণাপন্ন হন কসবা থানার। পুলিশ তদন্তে নেমে ওই কেন্দ্রটি ভুয়া হিসেবে জানতে পারে। এরপর এই কেন্দ্রের কর্ণধার দেবাঞ্জন দেবকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি নিজেকে কলকাতা পৌর করপোরেশনের যুগ্ম কমিশনার পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন স্থানে টিকাদান শিবির চালিয়ে যান। নিজেকে আইএএস কর্মকর্তা হিসেবেও পরিচয় দিতেন তিনি। সূত্র:রাইজিংবিডি।
ভয়েস/জেইউ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.