আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন বিদেশি সেনাবাহিনী (ন্যাটো) আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তুরস্কের সেনা সদস্যদের উপস্থিতিকে নিন্দনীয় বলে অভিহিত করেছে তালেবান। চুক্তি অনুযায়ী আফগানিস্তান থেকে বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের শেষ সময়ের মধ্যে চলে না গেলে ভূমি দখলদার হিসেবে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।
আগস্টে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্র দেশগুলোর সেনাবাহিনী আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়ার পর কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তার জন্য কিছু সেনা রাখার বিষয়ে কথা দিয়েছে তুরস্ক।
এ বিষয়ে তালেবান কর্তৃপক্ষ বলছে, তুরস্কের আফগানিস্তানে রয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত একটি ভুল পরামর্শের ফল। এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তারা আমাদের সার্বভৌমত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তাদের উপস্থিতি আমাদের জাতীয় স্বার্থের বিরোধী।
আফগানিস্তানে মিশনে থাকা মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা সামরিক জোটের একমাত্র মুসলিম দেশ হচ্ছে তুরস্ক। জোটে থাকা ব্যাতিত তুরস্ক, আফগানিস্তানে বিভিন্ন বেসামরিক মিশনেও তাদের সেনা পাঠিয়ে আসছে। ন্যাটো থেকে তুরস্ককে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে তারা যেন কাবুল হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত থাকে। অন্যান্য বিদেশি সেনারা চলে যাওয়ার পর বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক মিশন পরিচালনার জন্য এ বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জরুরি। কারণ আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের প্রধান প্রবেশপথ হলো এই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
এই বিষয়ে ন্যাটোর সভায় রজব তাইয়েব এরদোগান নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষায় তিনি পাকিস্তান ও হাঙ্গেরির সহযোগিতা চান।
সূত্র:রাইজিংবিডি।
ভয়েস/জেইউ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.