আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মিয়ানমারে জঙ্গল এলাকা থেকে ৪০টি মরদেহ খুঁজে পেয়েছে সেনা সরকারের বিরুদ্ধে লড়ে যাওয়া একটি মিলিশিয়া বাহিনী ও স্থানীয়রা। গত কয়েক সপ্তাহে দেশটির সাগাইং অঞ্চলে কানি শহরের আশপাশে বিভিন্ন স্থানে লাশগুলো পাওয়া গেছে। এই অঞ্চলে সামরিক শাসনের বিরোধীদের গড়ে তোলা মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সেনাবাহিনীর তুমুল লড়াই হয়েছে।
কিছু মরদেহে নির্যাতনের চিহ্নও রয়েছে বলে জানিয়েছেন মিলিশিয়া বাহিনীর এক সদস্য। জঙ্গল থেকে এতগুলো লাশ উদ্ধার মিয়ানমার সেনা সরকারের চলমান নৃশংসতার স্মারক।এ বিষয়ে জানতে সামরিক বাহিনীর মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পায়নি বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
কানি মিলিশিয়া বাহিনীর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সদস্য বলেন, ‘মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এবং জান্তাপন্থি একটি মিলিশিয়া বাহিনী এলাকাটিতে প্রতিশোধমূলক হত্যাযজ্ঞ এবং লুটপাট চালাচ্ছে।’
মিয়ানমারের ইরাবতী পত্রিকা স্থানীয়দের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, ৩০ জুলাইয়ে সাগেইং অঞ্চলের জঙ্গল এলাকায় ১২টি মরদেহ পাওয়া যায় যাদের একজনের বয়স ১৪ বছর। সবগুলো মরদেহেই ছিল নির্যাতনের চিহ্ন।
এর আগে জুলাইরে শুরুর দিকে ওই এলাকারই আরেকটি গ্রামে পাওয়া গিয়েছিল ১৬টি মরদেহ। অন্যান্য এলাকায় মিলেছিল আরও ১২টি মরদেহ। বিভিন্ন স্থান থেকে এ পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া মরদেহের সংখ্যা ৪০টিতে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে ওই মিলিশিয়া সদস্য।
গত ৩০ জুলাইয়ে সামরিক বাহিনীর একটি নিউজলেটারে বলা হয়েছিল, কানির একটি গ্রামের কাছে নিরাপত্তা বাহিনী প্রায় ১০০ ‘সন্ত্রাসীর’ হামলার শিকার হয়েছে। সেনাবাহিনী হামলার পাল্টা জবাব দিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্রশস্ত্রসহ ৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
গত ১ ফেব্রুয়ারিতে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে সেনাবাহিনী মিয়ানমারের ক্ষমতা দখল করার পর দেশব্যাপী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নে দেশটিতে কয়েকশ’ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.