ভয়েস প্রতিবেদক :
করোনা ভাইরাসের কারণে ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এরপর থেকে কয়েকদফা সাধারণ ছুটি বাড়ানো হয়েছে। এখনো ছুটি বলবৎ আছে। আর সাধারণ ছুটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে ঈদের পর। এরই মাঝে সাধারণ ছুটি থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের খাতিরে ছুটি নাই, বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ পদের ব্যক্তিদের। ছুটি না পাওয়া এমনই একজন হলেন, অল্প সময়ের মধ্যে সুনাম অর্জন করা তরুণ অফিসার মহেশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুইচিং মং মারমা। তিনি বিসিএস ৩৫ ব্যাচের ক্যাডার। রাঙ্গামাটির বাসিন্দা এই তরুণ অফিসার বর্তমান কর্মস্থল মহেশখালীতে যোগদান করেন ৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ইং।
সাধারণ ছুটি থাকলেও শৈশবের লালিত স্বপ্নের “ছুটি” তিনি উপভোগ করতে পারছেন না এখন করোনা সংকটের কারণে। সেই ছুটি নিয়ে নিজের ফেসবুক ফেইজে নিজের অনুভূতির কথা প্রকাশ করেছেন হৃদয়ছোঁয়া ভাষায় ২৪ মে রবিবার । যা পাঠকের জন্য হুবহু দেয়া হলো-
ছুটি:
স্কুল কলেজে পড়ার সময় সরকারি চাকরিজীবীদের দেখে খুব ভাল লাগত। প্রতিদিন সকাল ০৯টা-বিকাল ০৫টা অফিস। অফিস শেষে পরিবারের সাথে সময় কাটানো। প্রতি সপ্তাহে শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি (তখন সাপ্তাহিক ছুটি একদিনই ছিল)। মাস শেষে ভাল মাইনে। বছরে বেশ কয়েকটি ধর্মীয়/সামাজিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে লম্বা ছুটি। আহা! এই তো জীবন! ভাবতাম লাইফ ইজ সো মাছ বিউটিফুল। চাকরিতে জয়েন করার পরপরই প্রশিক্ষণে গেলে শেখানো হল - ০৯টা-০৫টা নয়, ২৪ ঘন্টা-ই মানুষের সেবায় প্রস্তুত থাকতে হবে। ছুটি তোমার জন্য একটা প্রিভিলেজ মাত্র, অধিকার নয়। যখন বাড়ি থেকে বহু বহুদূরে চাকরি করতাম তখন বছরে একবার বাড়ি আসতাম। প্রথম প্রথম বাড়ির মানুষজন জিজ্ঞেস করত এত তারিখ থেকে তো অমুক ছুটি, বাড়ি আসছ কখন। ছুটি আমাদের জন্য নয় বলে নিরাশ করতে হয়েছে। এখন তারাও আমার মত অভ্যস্ত হয়ে গেছে এতে। এখন শুধু জিজ্ঞেস করে ২দিনের জন্য বাড়িতে কখন আসতে পারবে। আগামী মাসে অবশ্যই যাবো বলার পরও কথা রাখতে পারি না। পরিবার ছাড়া অন্যরা আমি অমুক ছুটিতে বাড়ি যেতে পারব না শুনে এখনো আকাশ থেকে পড়ে, পড়াটা স্বাভাবিক। এ সময়ে তো কর্মস্থল ত্যাগ করার কথা কল্পনাও করতে পারি না। দূরে থেকেও কাছে থাকার উপলব্ধি করতে পারার মধ্যেই সুখ ও শান্তি দুটোই খুজে নিতে হচ্ছে। আশা রাখি, মহামারী শেষে সুখ ও শান্তির পরিপূর্ণতা প্রাপ্ত হবো।
লাইফ ইজ বিউটিফুল।
সূত্র: ফেসবুক।
ভয়েস/জেইউ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.