আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ফের অশান্ত হয়ে উঠছে মিয়ানমার। দেশটির চিন রাজ্যের ভারত সীমান্ত সংলগ্ন থ্যান্টলাং শহরে জান্তাবিরোধী মিলিশিয়াদের সঙ্গে ব্যাপক সংঘাতে জড়িয়েছে সেনাবাহিনী। এ সময় সেনাসদস্যদের গোলার আঘাতে বহু ঘরবাড়ি পুড়ে যায়। ওই সংঘাতের পর ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে বেশিরভাগ মানুষ। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে তারা ভারতসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকায় চলে গেছে। বুধবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।
প্রায় ১০ হাজার মানুষের শহর থ্যান্টলাং। তবে বুধবারের সহিসংতার পর সেখানকার চেহারা বদলে গেছে। এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে বিপুল সংখ্যক মানুষ। সেখানে একটি অনাথ আশ্রমের ২০ শিশুসহ সামান্য কিছু বাড়িঘর অবশিষ্ট রয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় কমিউনিটি নেতা সালাই থ্যাং বলেন, সেনাবাহিনীর একটি ঘাঁটি বেদখল হলে বিমান হামলা চালানো হয়। জান্তাবিরোধী মিলিশিয়া গোষ্ঠী দ্য চীন ডিফেন্স ফোর্স এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ৩০ জন সেনাসদস্যকে হত্যা করেছে।
রয়টার্সের পক্ষ থেকে হতাহতের এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাইয়ের সুযোগ হয়নি। সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকেও এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে প্রতিবেশী ভারতের মিজোরাম রাজ্যের সুশীল সমাজের একটি গ্রুপের প্রধান জানান, গত দুই সপ্তাহে রাজ্যের দুই জেলায় মিয়ানমার থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার মানুষ পালিয়ে এসেছে। সেনাবাহিনীর ধরপাকড় থেকে বাঁচতে তারা এখানে আশ্রয় নিয়েছে।
বার্মিজ সংবাদমাধ্যম মিয়ানমার নাউ জানিয়েছে, থ্যান্টলাং শহরের একটি বাড়িতে একজন খ্রিস্টান যাজক আগুন নেভানোর চেষ্টা করছিলেন। এ সময় সেনাসদস্যরা তাকে গুলি করে হত্যা করে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম দ্য গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার দাবি করেছে, ওই যাজকের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত চলছে।
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.