ভয়েস নিউজ ডেস্ক:
গত নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন আরও বেশি ভয়ংকর ও শক্তিশালী বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও)। করোনার বিরুদ্ধে বিশ্ববাসীর লড়াই যে এখনো শেষ হয়নি, সেটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। ওমিক্রন
যদিও ওমিক্রনে মৃত্যুর হার আগের ডেলটা ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে এখনও অনেক কম, তবে এর সংক্রমণ মাত্রা সবচেয়ে বেশি।
ডব্লিউএইচও বলছে, ‘যে হারে সংক্রমণ বাড়ছে, এটি অব্যাহত থাকলে আগামী ৬ থেকে আট সপ্তাহের মধ্যে ইউরোপে ৫০ শতাংশেরও বেশি মানুষ ওমিক্রনে আক্রান্ত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে’।
আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আগের ধরনগুলো যতটা প্রাণঘাতী ছিল ওমিক্রন সে রকম নয়। কিন্তু তাতে নিশ্চিত হয়ে বসে থাকলে তা বিপদ ছাড়া আর কিছুই ডাকবে না।
চিকিৎসকরা বলছেন, ওমিক্রনের কোনো একটিও উপসর্গ দেখা দিলে একেবারে হালকা ভাবে নেওয়া উচিত হবে না।
ওমিক্রনের উপসর্গগুলো কি কি?
যুক্তরাষ্ট্রের ‘সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন অ্যানালাইসিস’-এর গবেষণা বলছে, ওমিক্রনের সাধারণ উপসর্গগুলোর মধ্যে কাশি, অত্যধিক ক্লান্তি, নাক বন্ধ এবং নাক দিয়ে পানি পড়া অন্যতম। এছাড়াও হালকা জ্বর, ঘামাচি, শরীরে ব্যথা, অতিরিক্ত ঘামও দেখা দিতে পারে।
অন্যদিকে লন্ডনের কিংস কলেজের জেনেটিক এপিডেমিওলজির অধ্যাপক টিম স্পেক্টর একটি সমীক্ষার মাধ্যমে জানিয়েছেন, ওমিক্রন আক্রান্ত রোগীদের বমি বমি ভাব, বমি হওয়া, খিদে হ্রাস পাওয়ার মতো উপসর্গও দেখা দিচ্ছে এখন।
এরই মধ্যে ওমিক্রনের আরো তিনটি উপসর্গের কথা জানিয়েছেন অধ্যাপক টিম স্পেক্টর। তিনি জানান, ওমিক্রনের নতুন উপসর্গ তিনটি হলো- মাথা ব্যথা, গলা চুলকানো বা গলা জ্বালা ভাব, ঘন ঘন নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া।
এসব উপসর্গকে শীতকালীন ঠাণ্ডাজনিত কারণ ভেবে হালকাভাবে না নিয়ে দ্রুত করোনা পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.