খেলাধুলা ডেস্ক:
আইপিএলের রেকর্ড পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়ন দলটি। সেই মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সই কি না এবার খাবি খাচ্ছে রীতিমতো। পাঁচ ম্যাচের পাঁচটিই হেরে বসেছে। এমন কিছু আইপিএল ইতিহাসে ঘটল মাত্র দ্বিতীয় বার। তবে শেষ ম্যাচটায় জয়ের দারুণ আশাই জাগিয়েছিল রোহিত শর্মার দল। ম্যাচ শেষে তাই মুঠো থেকে ফসকে যাওয়া জয়ের আফসোস ঝরল রোহিতের কণ্ঠে।
গত বুধবার রাতে পাঞ্জাবের ছুঁড়ে দেওয়া ১৯৮ রানের জবাবে ডিওয়াল্ড ব্রেভিস আর তিলক ভার্মা দারুণ এক জুটিই দাঁড় করিয়ে ফেলেছিলেন। দুজনের ৪২ বলে ৮৪ রানের জুটি মুম্বাইকে দারুণ আশা দেখাচ্ছিল। তবে ব্রেভিস ফেরার পর সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে বিদায় নেন ৩৬ রান করা তিলক, এর কিছু পর বিধ্বংসী কাইরন পোলার্ডও বিদায় নেন মাত্র ১০ রানে।
এই দুই রান আউটের জন্যই আফসোস হচ্ছে রোহিতের। তিনি বলেন, ‘আমার মতে আমরা এই ম্যাচে বেশ ভালই খেলেছি এবং নিজেদের ব্যাটিং ইনিংসে সফলভাবে রান তাড়া করার অনেক কাছেও পৌঁছে গিয়েছিলাম। ওই রান আউটগুলিই ম্যাচ বদলে দিয়েছে। তবে এমনটা হয়েই থাকে। একসময় দারুণভাবে জয়ের দিকে এগোচ্ছিলাম। কিন্তু শেষমেশ মাথা ঠাণ্ডা রেখে ম্যাচ বের করতে ব্যর্থ হয়েছি। ইনিংসের শেষের দিকে ওরা যেমন বোলিং করে গিয়েছে, তার জন্য কিংসদের বাহবা দিতেই হবে।’
এই ম্যাচে নিজেদের ব্যাটিং অর্ডারেও কিছুটা পরিবর্তন আনে মুম্বাই। ব্রেভিস ও তিলক বর্মার পরে পাঁচে ব্যাট করতে পাঠানো হয় সূর্যকুমারকে। এ নিয়ে রোহিতের ব্যাখা, ‘যখন দল ম্যাচ জিততে পারছে না, তখন টুকটাক কিছু বদল ঘটিয়ে সাফল্য পাওয়ার চেষ্টা তো করতেই হবে। তাই আমরা নিজেদের চিন্তাভাবনায়, খেলার ধরনে কিছু পরিবর্তন আনতে চাইছি। হ্যাঁ, এখনও হয়তো তা কাজে আসেনি, তবে আমি খেলোয়াড়দের বাহবাই দেবো। আমরা দারুণ লড়াই করেছি। আমরা ব্যাটিংও ভালই করেছি। কিন্তু শেষমেশ কিংসরা নিজেদের মাথা ঠাণ্ডা রেখেই ম্যাচ বের করে নিল।’
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.