ভয়েস নিউজ ডেস্ক:
পুলিশের নির্যাতনে যুক্তরাষ্ট্রে নিহত কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর বিশ্ব জুড়ে বর্ণবাদ বিরোধী বিক্ষোভ চলমান। আর এই আন্দোলনে ক্রিকেটারদের মধ্যে সবার প্রথমে এগিয়ে এসেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ড্যারেন স্যামি ও ক্রিস গেইলের মতো তারকারা। স্যামি তো গুরুতর অভিযোগও করে বসেন। তিনি জানান, আইপিএল দল সানরাইজার্স হায়দ্র্রাবাদে খেলার সময় তাকে ও শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডার থিসারা পেরেরাকে ডাকা হতো ‘কালু’ নামে।
যদিও স্যামি বলেছিলেন, তখন শব্দটির অর্থ না জানলেও তিনি এখন জানতে পেরেছেন। ইনস্টাগ্রামে সেই একই দাবি করলেন দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক। আর এটা যে তার গায়ের রং কালো বলে ডাকা হতো, সেটা জেনে বেশ চটেছেন ক্যারিবিয়ান তারকা। অবশ্য এটা নিয়ে গণমাধ্যমে তোলপাড় হওয়ার পরপরই স্যামির সেসময়ের সতীর্থরা বিষয়টা অস্বীকার করতে শুরু করেন।
কিন্তু মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভারতীয় পেসার ইশান্ত শর্মার ২০১৪ সালের একটি পুরনো ইনস্টাগ্রাম পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে স্যামি, ডেল স্টেন এবং ভুবনেশ্বর কুমারের সঙ্গে ছবি দিয়ে সাবেক উইন্ডিজ অধিনায়ক সম্পর্কে কালু শব্দটি ব্যবহার করেন ইশান্ত, যা কৃষ্ণাঙ্গদের গায়ের রঙ বোঝাতে ব্যঙ্গার্থে বলা হয়।
পরবর্তীতে এই ছবি নিয়ে রীতিমতো বিতর্ক উঠে যায়। অনেকে দাবি তোলেন, ভারতীয় পেসারকে ক্ষমা চাইতে হবে। স্যামি নিজেও তার এই সতীর্থদের ক্ষমা চাইতে বলেন।
এ প্রসঙ্গে স্যামি বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম নিশ্চয়ই এটি মজার কিছু হবে। কিন্তু এটা মোটেও মজার কিছু ছিল না, বিষয়টা বুঝতে পারার পর আমি ভীষণ হতাশ ও ক্ষুব্ধ। এটা ছিল অপমানজনক। যারা আমাকে ওই নামে ডাকতে, তোমরা নিজেরা তা জানো। তোমাদের কয়েকজনের কাছে আমার ফোন নাম্বার আছে, তোমাদের ইনস্টাগ্রাম, টুইটারে আছি। আমার সঙ্গে যোগাযোগ করো, চলো বিষয়টা নিয়ে কথা বলি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি এখনও ক্ষুব্ধ। তোমাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত। কারণ, তোমাদের সবাইকে আমি ভাইয়ের মতো দেখতাম। তাই, আমার সঙ্গে কথা বলো। যোগাযোগ করো, দয়া করে ব্যাপারটা পরিষ্কার করো।’
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.