খেলাধুলা ডেস্ক
‘তারা কীভাবে জেতে, তা আমি কখনো জিজ্ঞেস করি না; তারা কেন হেরেই চলেছে, তা নিয়েও আমার বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা নেই’- কথাগুলো চেন্নাই সুপার কিংসের কর্ণধার এন শ্রীনিবাসনের। চলতি আইপিএলে সময় ভালো যাচ্ছে না দলের, আট ম্যাচ থেকে জিতেছে মাত্র দুটো, দলের টানা হারের কারণ তার এক বন্ধু তাকে জিজ্ঞেস করতেই এমন বাঁকা উত্তরটা দিয়েছিলেন তিনি। কথাটা অবশ্য রাগের বশে নয়, অধিনায়ককে পূর্ণ ক্ষমতা দিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজির ক্রিকেটীয় বিষয়ে তার নাক না গলানোর যে নীতি, তা মেনেই বলেছিলেন শ্রীনিবাসন।
অধিনায়ক বদলালেও ফ্র্যাঞ্চাইজির সেই নীতিতে হেরফের হয়নি, সেটাও বোঝা যাচ্ছিল এই উক্তিতে। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজির সূত্র জানাচ্ছে, রবীন্দ্র জাদেজার ‘নিজের খেলায় আরও বেশি মনোযোগ দেওয়ার ইচ্ছা’ থেকে অধিনায়কত্বটা ধোনিকে ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনাটা কেবলই তাদের ভেতরের পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে আসেনি।
চেন্নাই ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রধান কার্যনির্বাহী কাসি বিশ্বনাথন এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘টিম ম্যানেজমেন্ট আমাদের কাছে এই খবরটা পৌঁছে দিয়েছিল, আমরা তা মেনে নিয়েছি।’ কথাটা যত সহজ শোনাচ্ছে, ততটা সহজও ছিল না। কিছু অংশ সত্য হতেই পারে, চার বারের শিরোপাজয়ী, বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের এভাবে ম্যাচের পর ম্যাচ হারতে দেখে ম্যানেজমেন্ট চুপচাপ বসে থাকতে পারেনি।
জাদেজার এই অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়া যে জোরপূর্বক ছিল, সেটার ইঙ্গিত মিলছে বেশ। শেষ তিন দিনে ধোনিকে অধিনায়ক হিসেবে ফেরানোর ভাবনা চলছিল দলে। কারণটা অবশ্য জাদেজার বাজে নেতৃত্ব নয়, ছিল তার বাজে ফর্ম। চেন্নাই দলের এক সূত্র ক্রিকবাজকে বলেন, ‘বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার তার সেরাটা দিতে পারছেন না, তা দেখে ম্যানেজমেন্ট চুপচাপ বসে থাকতে চায়নি। অবশ্যই তার ফর্মের এমন বেহাল দশা এসেছে অধিনায়কত্বের বাড়তি চাপ থেকে! এমনকি এখন তার হাত ফসকে ক্যাচও বেরিয়ে যাচ্ছে!’
জাদেজা শেষ এক দশকে ছিলেন দলটির শীর্ষ পারফর্মারদের একজন। তবে চলতি মৌসুমে তার বাজে ফর্মটা চোখে পড়ছে বেশ। ব্যাট হাতে করেছেন ১১২ রান, বল হাতে তুলে নিয়েছেন মোটে পাঁচ উইকেট, সেটাও আবার দিয়েছেন ৪২ রান খরচায়, ওভারপ্রতি রান হজম করছেন ৮.১৯ করে। মূলত এ কারণেই তাকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার ভাবনা খেলে গেছে টিম ম্যানেজমেন্টে।
আট ম্যাচ থেকে দুই জয় নিয়ে চেন্নাই এখন অবস্থান করছে টেবিলের নয়ে। কাগজে কলমে এখনো প্লে অফের আশা শেষ হয়ে যায়নি দলটির। ধোনির হাতে অধিনায়কত্ব তুলে দিয়ে সেই অসম্ভবকে সম্ভব করার আশাই এখন করছে দল ম্যানেজমেন্ট।
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.