ভয়েস নিউজ ডেস্ক:
আনন্দঘন পারিবারিক আবহে ঈদ উদ্যাপন করলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ঈদের দুপুরের খাবার খেয়েছেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। এ সময় তিনি খুশি ছিলেন মঙ্গলবার বিকেলে দেশ রূপান্তরকে জানান খালেদা জিয়ার মেজো বোন বেগম সেলিমা ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘গত বছর খালেদা জিয়ার ঈদ কেটেছে এভারকেয়ার হাসপাতালে। এর আগে করোনার কারণে গুলশানের বাসভবন ফিরোজায়। ফলে গত তিন বছর ফিরোজার পুরো পরিবার এক হতে পারিনি। এবার সবাই এক হতে পেরে সবাই মিলে আনন্দঘন পরিবেশে সময় কাটিয়েছি’।
তিনি বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে দুপুরে আমরা ভাই-বোন সবাই এক সঙ্গে বসে খাবার খেয়েছি। খালেদা জিয়ার জন্য ভিন্নভাবে খাবার তৈরি করা হয়েছিল। মজা করে সবাই মিলে খেয়েছি’।
সেলিমা ইসলাম বলেন, ‘আমি ও আমার পরিবার, ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার, সাঈদ এস্কান্দারের পরিবারসহ সবাই এ সময় ছিলেন’।
তিনি বলেন, ‘দুপুরে খেয়ে দুই ঘণ্টার মতো গল্প করে কাটিয়েছি। পরে বিকেলে খুশি ভরা মন নিয়ে বাসায় ফিরে এলাম’।
সেলিমা বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে খালেদা জিয়া লন্ডনে তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিন নাতনির সঙ্গে কথা বলেছেন। পুত্রবধূদের সঙ্গে কথা বলেছেন। ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন’।
খালেদা জিয়া কী খাবার খেয়েছেন জানতে চাইলে সেলিমা ইসলাম বলেন, ‘পছন্দের সব খাবার অল্প করে খেয়েছেন। তৃপ্তি সহকারে খেয়েছেন। তার জন্য বিশেষ ভাবে রান্না করা হয়েছিল। তাই খেতে পেরেছেন’।
তিনি বলেন, ‘রাতে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন খালেদা জিয়া’।
দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হলে খালেদা জিয়াকে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে পাঠানো হয়। করোনা মহামারির প্রেক্ষাপটে গত বছরের ২৫ মার্চ সরকার শর্তসাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। এ পর্যন্ত কয়েক দফায় খালেদা জিয়ার মুক্তির সময় বৃদ্ধি করা হয়।
গত বছরের ১৩ নভেম্বর এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন। ২৮ নভেম্বর মেডিকেল বোর্ড জানিয়েছিল খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিসে ভুগছেন। সেখানে দীর্ঘ ৮০ দিন চিকিৎসার পর চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরেন বেগম খালেদা জিয়া।
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.