ভয়েস প্রতিবেদক:
স্থানীয় অনেকরই অভিযোগ কৌশলে সদস্য সংগ্রহের নামে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে
শুরুতেই নানা সন্দেহ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে “মহেশখালী লবণ কল্যাণ সমিতি” নামের লবণ চাষীদের নিয়ে গড়া সংগঠন। সংগঠনটির জন্ম মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের মোহরাকাটা এলাকায়।
গত কয়েক মাস ভালো মত কাজ চলছিল দ্রুতগতিতে, বিপত্তি ঘটে ২৪ নভেম্বর মহেশখালীর মাতারবাড়ি ইউনিয়নে সদস্য সংগ্রহ করার জন্য গেলে। সদস্য অন্তভুর্ক্তি করার টিম প্রধান হোয়ানকের বাসিন্দা রিপন ও তার সহযোগিদের মাতারবাড়ির স্থানীয় কিছু লোক আটক করে সদস্য সংগ্রহের নিয়ম জানতে চান। এসময় তিনি ইতস্ততবোধ করলে উপস্থিত কিছু লোক তাকেসহ যাচাই করার জন্য স্থানীয় সাবেক চেয়ারম্যানের সম্মুখীন করান।
ঘটনার প্রত্যক্ষদশীর্ একজন বলেন, “মহেশখালী লবণ কল্যাণ সমিতি”র স্টাফ পরিচয় দেওয়া রিপন ও তার সহযোগীরা স্থানীয় লবণ চাষীদের বিভিন্ন সুবিধার কথা বলে “মহেশখালী লবণ কল্যাণ সমিতি” সদস্য হওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। তাদের কথায় কয়েকজন সদস্যও হয়েছেন। এরইমধ্যে সদস্য হতে টাকা নিচ্ছেন। সদস্য হলে ভবিষ্যতে সরকারি বিভিন্ন লোনের সুযোগ সুবিধা পাবে এমন আশ্বাস দিলে তা মুহুর্তে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। কথাগুলো অনেকের মনে অবিশ্বাস জন্মদিলে পুরো বিষয়টি জানার জন্য তাদেরকে আটক করে স্থানীয় সাবেক চেয়ারম্যান মাস্টার মাহমুদুল্লাহকে মুখোমুখি করান। পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
বিষয়টি জানার জন্য ফোন দিলেন “মহেশখালী লবণ কল্যাণ সমিতি”র সাধারণ সম্পাদক হোয়ানকের বাসিন্দা জাফর আলম জফুর বলেন, যা রটানো হচ্ছে তার সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমরা কয়েক বছর যাবত চেষ্টা করছি বঞ্চিত লবণচাষীদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করতে। তারই ধারাবাহিকতায় এই সংগঠনের ব্যানারে মহেশখালীর প্রকৃত লবণচাষীদের নিয়ে “মহেশখালী লবণ কল্যাণ সমিতি” নামক সংঠনের যাত্রা শুরু হয়। কাউকে জোর করে প্রলোভন দিয়ে সদস্য করা হচ্ছেনা। যারা স্বেচ্ছায় সদস্য হচ্ছেন তাদের কাছ থেকে শুধুমাত্র অফিস খরচ বাবদ দুই থেকে তিনশত টাকা নেওয়া হচ্ছে যার ফরম, আইডি কার্ড বাবদ ব্যয় করা হয়। তাছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্য নাই। মাতারবাড়ির বিষয়টি একটা ভুলবুঝাবুঝি স্থানীয় চেয়ারম্যান আমার বন্ধু তাঁকে এবিষয়ে জানানো হয়েছে ভুলেরও অবসান হয়েছে।

মাতারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হায়দার বলেন, ‘এরকম একটি ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় লোকজন আমাকে জানিয়েছেন ওই সংগঠনের সভাপতিকে ফোন করেছিলাম,ফোন রিসিভ করেনি। চেষ্টা করা হচ্ছে বিষয়টি সুন্দর সমাধানের।’ যাতে এলাকায় শান্তি বিনষ্ট না হয়।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়, “মহেশখালী লবণ কল্যাণ সমিতি” সমিতির যাত্রা শুরু হয় এই বছরের ফেব্রুয়ারীর প্রথম থেকে।এই সংগঠনের প্রধান অফিস হোয়ানক ইউনিয়নের মোহরা কাটা, ঢাকার অফিস মতিঝিলের নাহার ম্যানশন ৫ম তলায়।সংগঠনের প্যাডের সুবাদে জানা যায় এটির জন্ম মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের মোহরাকাটা নামক এক অফিসের মাধ্যমে।অফিস ঢাকাতেও আছে।
জানতে চাইলে একজন লবণ ব্যবসায়ী মাতারবাড়ির বাসিন্দা না প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সঠিক নেতৃত্ব ও দক্ষ সংগঠনের অভাবে এরকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে শুরুতেই যা কাম্য নয়।
ভয়েস/জেইউ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.