জিকির উল্লাহ জিকু :
কথায় আছে জীবিকা মানে না জীবন। এদিকে শ্রমজীবী পানচাষীদের জীবিকা এবং অপর দিকে মহেশখালীর আম জনতার জীবন। করোনা প্রকোপের কারণে মহেশখালীর মানুষ স্বাভাবিক ভাবেই আতংকে আছে। এমনই কঠিন সমীকরণে মহেশখালী প্রশাসনের সিদ্ধান্ত দিতে হয়েছে গাড়ি ছেড়ে যান। এযেন অনুরোধে ঢেঁকি গেলা অবস্থা প্রশাসনের।
বদরখালীতে ব্রীজে ঢাকা, নারায়নগঞ্জগামী পান ভর্তি ট্রাকের গাড়ি মানবিক কারণে ছেড়ে দেয়া হয়েছে জানান মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার। তবে তাদেরকে (গাড়ি ড্রাইভার, হেলপার, পানের সওদাগর এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ ) শর্ত সাপেক্ষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র আজকের পানের গাড়িগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যথাশীঘ্রই আলোচনাক্রমে পান কিভাবে লকডাইন আইন ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিক্রি করা যায় সেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
শর্ত সমূহ:
যে সমস্ত গাড়ি বের হবে তারা মহেশখালীতে আর প্রবেশ করতে পারবেনা পরিস্থিতি উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ।
যারা প্রবেশ করতে চাইবে তাদের ১৪ দিন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।
বিকাল ৩ টায় ব্রিজে ওই সময় উপস্থিত ছিলেন মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার জামিরুল ইসলামের সাথে নৌ বাহিনীর লেঃ কমান্ডার মোঃ আসাদুজ্জামান, চকরিয়া থানার ওসি হাবিবুর রহমান, মহেশখালীর পিআইও রাসেদুল ইসলাম, কালারমারছড়ার ফাঁড়ির ইর্নচাজ কিশোর বড়ুয়া।
কৃষি অফিসের তথ্য মতে:
মহেশখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার হিসাব মতে বর্তমান ১৪ হাজার হেক্টরে পান চাষ হয় তার মধো ৪০০ হেক্টর জমি বিল পানের বরজ রয়েছে ১০০০ হাজার হেক্টর পাহাড়ি বনভূমিতে ঢালিও তে পান উৎপাদন হয়। মহেশখালীতে কৃষি বিভাগের হিসাব মতে ৫৪ হাজার প্রান্তিক পান চাষি রয়েছে। এই পান চাষ মহেশখালী গণমানুষের একমাত্র আয়ের অর্থকারী ফসল।
উল্লেখ্য, মহেশখালীর মিঠা পান জগৎ সেরা দেশের চাহিদা মিটিয়ে বহির্বিশ্বে রপ্তানী হয়।মহেশখালী পান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে থাকে।
সমালোচনাও চলছে :
মহেশখালীর বাসিন্দা আ আদ্যক্ষরের নাম সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুকে “প্রস্তুত থাকেন এ পানের বাজারই পুরো মহেশখালীকে ধংস করে দিবে। যেভাবে শুরু করেছে। দুদিন পর এ সংখ্য মহেশখালীতে এনে দিবে পান সংশ্লিষ্ট দালালেরা। পান চাষী ছাড়া আর কোনো গরীব নাই।পান চাষীরা বাজার বসিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পান নিয়ে যেতে পারলে লবণ চাষীরা কি পাপ করেছে ? প্রশ্ন রেখে প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তে বিরূপ মন্তব্যও করেছেন। অন্যদিকে পান চাষে এবং ব্যবসায় যারা জড়িত তারা প্রশাসনকে ধন্যবাদ দিচ্ছেন।
ভয়েস/জেইউ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.