শাহাব উদ্দীন সিকদার:
ইনানী রেজু খালের অদুরে মহেশখালীর কুতুবজোমের তাজিয়াকাটার মোহাম্মদ হোছাইন এর মালিকানাধীন এফবি আল্লাহ দান নামের একটি ফিশিং বোট জলদস্যুরা চিনতাই করে নিয়ে গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাতে ইনানী রেজু খালের অদুরে কাছাকাছি বঙ্গোপসাগরে। ডাকাতির কবলে পড়া ফিশিং ট্রলারে মাঝি সোনা মিয়া সুত্রে জানা যায় মহেশখালীর কুতুবজোমের তাজিয়াকাটা এলাকার মোঃ হোছাইন এর মালিকানাধীন ৩৬ অশ্ব শক্তি সম্পন্ন ইঞ্জিন চালিত এফবি আল্লাহ দান নামের ফিশিং বোটটি শুক্রবার রাতে দিকে সাগরে নোঙর অবস্থায় ইনানী রেজুখালের অদূরে জলদস্যুদের কবলে পড়ে। জলদস্যুরা বোটটিতে থাকা ১৩জন মাঝিমাল্লাহকে অস্ত্রের মুখে কেটে টুকরো টুকরো করে সাগরে ফেলে দেখার ভয় দেখিয়ে এবং পরে সেখান থেকে মাঝি মাল্লাহকে অন্য একটি বোটে তুলে দিয়ে বঙ্গোপসাগরের দিকে দ্রুত বোট চালিয়ে চলে যায়।
অসহায় বোটের মালিক মহেশখালীর কুতুবজুম ইউনিয়নের তাজিয়া কাটা গ্রামের আনচার সদস্য মোহাম্মদ হোছাইন জানান, আমার একটা মাত্র বেঁচে থাকার সম্বল ফিশিং বোটটি জলদস্যুরা মাঝিমাল্লাদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি করে নিয়ে যাওয়ায় আমি প্রায় অসহায় হয়ে গিয়েছিলাম। সেই সাথে বোট মালিকসহ সাগরে থাকা মাঝি মাল্লাদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছিল। বোট মালিক বোটটি ফিরে পেতে মহেশখালী থানার এ এস আই ফরাজুলের সহায়তায় চট্রগ্রাম কোষ্টগার্ড জোনের সহয়তায় আজ শনিবার বিকেলে ফিশিং বোট সফল ভাবে উদ্ধার করতে সমর্থ হয়।
বোট মালিক পক্ষের বিভিন্ন সুত্র জানায় বেশ কয়েক বছর আগে সাগরে অনেক বোট ছিনতাই করে নিয়ে যেত বার্মাইয়া রোহিঙ্গাসহ সাগরের অন্যান্য জলদস্যুরা। কিন্তু বর্তমানে সাগরে কোস্টগার্ডের দ্রুতগামী বোট এবং নৌবাহিনীর উদ্ধারকারী জাহাজের টহল জোরদার হওয়াতে এসব দস্যুতা অনেকাংশে কমে আসলেও সাম্প্রতিক সময়ে সাগরে আবারো জলদস্যুতা বেড়ে গেছে।
এ ব্যাপারে মহেশখালী থানা কুতুবজুমের দায়িত্ব প্রাপ্ত উপ পরিদর্শক ফরাজুল জানান আমি চট্রগাম কোষ্টগার্ড়ের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ ইনফর্ম করলে তারা সর্বোচ্চ সহায়তা করে বোট টি উদ্ধার করে দিতে সক্ষম হয়। বোট উদ্ধার অভিযান চলাকালীন সময়ে জলদস্যুরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় ।
কোষ্টগার্ড়ের সহায়তায় এরকম বোট উদ্ধারের ঘটনায় বোট মালিক মোহাম্মদ হোছাইন উপকূলীয় রক্ষী বাংলাদেশ কোস্টগার্ড়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এই বোট উদ্ধারের ঘটনায় মহেশখালীতে ফিশিং ট্রলার বোট মালিকদের মাঝে শংকা ও নিরাপত্তাহীনতায় থাকা সবার মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
ভয়েস/ জেইউ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.