সাহাব উদ্দীন সিকদার, মহেশখালী
রমজানের ঈদকে সামনে রেখে বঙ্গোপসাগরে আবারো শুরু হয়েছে জলদস্যুদের তান্ডব। এরি মাঝে বেশ কয়েকটি বোটে গনহারে ডাকাতির খবর পাওয়া গেছে। জানা যায় কক্সবাজারের মহেশখালী থেকে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়া একটি ফিশিং বোট সহ ১৪ জন মাঝিমাল্লা নিখোঁজ রয়েছে। বোটটি উপজেলার হোয়ানক ছনখোলাপাড়া এলাকার শামশুল আলম নামে এক ব্যক্তির মালিকানাধীন বলে জানা গেছে।
গত শুক্রবার (৭ এপ্রিল), উপজেলার হোয়ানক ছনখোলাপাড়া এলাকা থেকে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়া বোট দীর্ঘ ৫দিন গত হলেও এখনো কূলে ফিরে আসেনি। তাদের ভাগ্য কি হয়েছে এখনো জানা সম্ভব হয়নি। নিখোঁজ জেলেদের পরিবারে কান্নার রোল বয়ে চলছে।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন, উপজেলার কালারমারছড়ার পূর্ব আঁধারঘোনা গ্রামের সালাহ আহমদের ছেলে আব্দুল মালেক মাঝি ও মোহাম্মদ রিদুয়ান, আব্দুস সালামের ছেলে মো. হায়াত, দানু মিয়ার ছেলে আব্দুল মান্নান, আকবর আলীর ছেলে মাহবুব আলম, মো. শরীফের ছেলে নুরুস সামাদ। এছাড়াও হোয়ানক ছনখোলাপাড়ার আবু জাফরের ছেলে শামশুল আলম সহ ১৪ জন। এর মধ্যে আঁধারঘোনা এলাকার ৬ জন, হোয়ানকের ৬ জন এবং ছামিরাঘোনার ১ জন বলে জানা যায়।
সাগর থেকে ফিরে আসা বাবু নামে এক ব্যক্তি জানান, বোটটি সাগরে যাওয়ার ঐ দিন রাতে কয়েকটি বোট ডাকাতি হয়। পরের দিন সকলে শামশুল আলমের বোটটি সাগরের দিকে রওনা হলে করিম সিকদার মাঝির ইন্ধনে আশেপাশের জেলেরা ডাকাতের বোট সন্দেহ করে। কয়েকটি বোটের জেলেরা মিলে ঐ বোটে আক্রমণ করেন।
বোট নিখোঁজের ব্যাপারে জানতে চাইলে মহেশখালী থানার ওসি প্রণব চৌধুরী জানান এই ব্যাপারে আমাদের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আমরা বিভিন্ন সোর্সের মাধ্যমে এবং সাগর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের মাধ্যমে খোঁজখবর নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এই ব্যাপারে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা এবং স্থানীয় জনগণ নিখোঁজ জেলে ও ফিশিং বোটটি সাগর থেকে উদ্ধার ও সন্ধানে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
ভয়েস/ জেইউ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.