ভয়েস প্রতিবেদক:
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা: মো: এনামুর রহমান বলেছেন, ‘ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে বাঁচতে উপকূলীয় এলাকায় আরও সাড়ে ৪শ’ সাইক্লোন সেল্টার নতুন করে তৈরী করার জন্য সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। কারণ, এখনও পর্যন্ত পর্যাপ্ত সাইকেøান সেন্টার গড়ে তুলতে পারেনি। প্রকল্প চালু রয়েছে, আমরা প্রতিবছর নতুন নতুন সাইক্লোন সেল্টার তৈরী করতে পারব।’
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঘূর্ণিঝড় কবলিত এলাকা কক্সবাজার শহরের সমিতিপাড়া ও কুতুবদিয়াপাড়া পরিদর্শনকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা: মো: এনামুর রহমান একথা বলেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন।
এসময় প্রতিমন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষ যাতে কষ্ট না পাই সেজন্য দ্রুত ত্রাণ সহায়তা দিতে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। ইতিমধ্যে ত্রাণ মন্ত্রণালয় দুর্গত এলাকার মানুষের জন্য ত্রাণ সহায়তা দেয়া হয়েছে। জরুরী ভিত্তিতে ২০ লাখ টাকা, ৫০ মেট্রিক টন চাল, ৫ হাজার প্যাকেজ শুকনো খাবার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও বিধ্বস্ত বাড়িঘর পুন:নির্মাণ করার এক হাজার বান্ডিল ঢেউ টিন, ৩০ লাখ টাকা ও শিশুখাদ্যেও জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।’
প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান আরও বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে যা দেখেছি বরাদ্দকৃত এসব ত্রাণ পর্যাপ্ত নয়। আমি মন্ত্রণালয়ে গিয়ে আরও ত্রাণ বরাদ্দ দেয়ার চিন্তা ভাবনা রয়েছে। এজন্য কক্সবাজার জেলা প্রশাসনককে আরও কি কি প্রয়োজন হবে তার একটি সঠিক তথ্য দ্রুত পাঠানোর জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ের কারণে অসংখ্য গাছপালা উপড়ে পড়ে অসংখ্য বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙ্গে গেছে। একারণে বিদ্যুৎ লাইন সংস্কার করতে একটু সময় লাগবে। ইতিমধ্যে শহরের বেশকিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ দেয়া হয়েছে।
এসময় প্রতিমন্ত্রী সঙ্গে মহেশখালী-কুতুবদিয়ার সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান, কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো: মুজিবুর রহমান, কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মো: মাহবুবুর রহমান চৌধুরী সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাত ৭টার দিকে ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ আঘাত হানে কক্সবাজার। ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডবে মৃত্যু হয় তিন জনের। ক্ষতিগ্রস্ত হয় অন্তত ৩৭ হাজার বাড়িঘর। অসংখ্য গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁড়ি ভেঙ্গে গিয়ে অচল হয়ে পড়ে কক্সবাজারের জনজীবন। এতে করে পানির তীব্র সংকট, নেটওয়ার্ক, বিদ্যুৎ সহ নানা দুর্ভোগে পড়ে সাধারণ মানুষ।
ভয়েস/জেইউ।
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.