বিশেষ প্রতিবেদক:
কক্সবাজার সৈকতে আবারও ভেসে এলো বিপুল পরিমাণ বর্জ্য। এবার শুধুমাত্র কক্সবাজার শহরতলীর মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন দরিয়ানগর সৈকতের আশপাশে এক কিলোমিটার এলাকায় বর্জ্য ভেসে আসে।
তবে এবার ভেসে আসা বর্জ্যের মধ্যে শতকরা ৯৫ শতাংশই জৈব বর্জ্য বা পচনশীল দ্রব্য। এগুলোর মধ্যে বাঁশজাতীয় উদ্ভিদ ও প্যারাবনের উদ্ভিদ বীজই বেশি। বাকি পাঁচ শতাংশ বর্জ্যের মধ্যে সেন্ডেল, ওয়ানটাইম চায়ের কাপ, জাল ও দড়িসহ মাছ ধরার সামগ্রী বলে জানান স্থানীয়রা।এর আগে গত ১১ জুলাই একইভাবে সৈকতের কলাতলী থেকে দরিয়ানগর পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় বর্জ্য ভেসে এসেছিল।
স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠন দরিয়ানগর গ্রিন ভয়েসের সভাপতি পারভেজ মোশাররফ (এমএইচ পারভেজ) ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান সায়েম জানান, গত বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে উপকূল বরাবর তীব্র বায়ু প্রবাহ শুরু হলে সামুদ্রিক জোয়ারের সঙ্গে এসব বর্জ্য ভেসে আসতে থাকে। তবে এবার ভেসে আসা বর্জ্যের মধ্যে শতকরা ৯৫ শতাংশ জৈব বর্জ্য বা পচনশীল দ্রব্য হলেও আগেরবারের বর্জ্যের ৯০ শতাংশই ছিল অপচনশীল দ্রব্য। সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পরিত্যক্ত প্লাস্টিক। যেমন- জাল, দড়ি, প্লাস্টিকের ঝুঁড়ি, মদের কাঁচের বোতল ও প্লাস্টিকের টুকরো। আর এবারের বর্জ্যের বেশিরভাগই ছিল এক ধরনের বাঁশ, কাঠখণ্ড, শেকড় ও উদ্ভিদ বীজ।
তবে গতবারের বর্জ্যের সঙ্গে শতাধিক মুমূর্ষু ও মৃত কচ্ছপ, সাপ, বার্নাকলসহ নানা সামুদ্রিক প্রাণী দেখা গেলেও এবার তা ছিল না বলে জানান স্থানীয় পরিবেশবাদীরা।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, কক্সবাজার সৈকতে কেন, কোথা থেকে ও কীভাবে বর্জ্য ভেসে আসছে তা তদন্তের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে এবারের বর্জ্য জৈব বলে সৈকতের জীববৈচিত্র্যের জন্য তা লাভজনকই মনে করছেন পরিবেশবিদরা।
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.