খেলাধুলা ডেস্ক:
সবকিছু যেন ঠিক পথেই এগোচ্ছিল। নতুন স্টেডিয়ামে প্রথম জয় পাওয়ার স্বপ্ন প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছিল ইন্টার মায়ামি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই ম্যাচই হয়ে উঠল এক দুঃস্বপ্ন। যেখানে ৩-০ ব্যবধানও নিরাপদ থাকল না। আর ইতিহাস লিখল প্রতিপক্ষ অরল্যান্ডো সিটি।
ম্যাচের শুরুটা ছিল পুরোপুরি মিয়ামির দখলে। লিওনেল মেসি নিজের শততম ক্লাব ম্যাচে একটি গোলের সঙ্গে যোগ করেন ২টি সহায়তা। আর তার ছন্দে ভর করে দ্রুত ৩-০ লিড নেয় স্বাগতিকরা। ইয়ান ফ্রেই ও তেলাস্কো সেগোভিয়ার গোল যেন জয় নিশ্চিতই করে দিয়েছিল।
কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে দৃশ্যপট পুরো বদলে যায়। একাই ম্যাচের গতিপথ ঘুরিয়ে দেন মার্টিন ওহেদা, যিনি করেন দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক। মিয়ামির রক্ষণভাগকে একের পর এক আঘাত করে তিনি দলকে ফিরিয়ে আনেন সমতায়। এরপর যোগ করা সময়ে ৯৩তম মিনিটে জয়সূচক গোল করেন টাইরিস স্পাইসার। আর তাতেই সম্পূর্ণ হয় অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তন।
ফলাফল ৪-৩। যা শুধু একটি জয় নয়, বরং লিগের ইতিহাসে বিরল কীর্তি। ৩-০ ব্যবধান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে জেতা দল হিসেবে অরল্যান্ডো এখন ইতিহাসের মাত্র তৃতীয় দল।
এই হার মিয়ামির জন্য আরও হতাশার। কারণ, নতুন স্টেডিয়ামে এখনো জয়ের মুখ দেখেনি তারা ৪ ম্যাচে ১ হার ও ৩ ড্র। অথচ এর আগে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১১ ম্যাচে অপরাজিত ছিল দলটি, লিগেও টানা ৯ ম্যাচ হারেনি।
ম্যাচ শেষে হতাশা লুকাননি খেলোয়াড়রা। জানা গেছে, ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের উদ্দেশে এই ফলাফলকে “গ্রহণযোগ্য নয়” বলে মন্তব্য করেছেন মেসি। যে রাতে মিয়ামির জন্য ইতিহাস গড়ার কথা ছিল। সেই রাতেই ইতিহাস গড়ে দিল অরল্যান্ডো। আর ফুটবল আবারও মনে করিয়ে দিল, শেষ বাঁশি বাজার আগে কিছুই নিশ্চিত নয়।
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.