আবদুর রহমান (বাংলাট্রিবিউন)।
উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে প্রায়ই গোলাগুলি, সংঘর্ষ ও খুনোখুনির ঘটনা ঘটছে। এটি কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। আধিপত্য বিস্তার, মাদক চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ এবং চাঁদাবাজির ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা) ও আরাকান রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) মধ্যে এই লড়াইয়ে সাধারণ রোহিঙ্গারা আতঙ্কিত। জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন আশ্রয়শিবিরে নিয়োজিত দেশি-বিদেশি বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও।
সাধারণ রোহিঙ্গারা বলছেন, ক্যাম্পগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে ছয়টি সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে। এসব সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে এখন প্রকাশ্যেই চলছে দ্বন্দ্ব। বর্তমানে বেশি তৎপর আরসা ও আরএসও গ্রুপ। ক্যাম্পকেন্দ্রিক মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, অপহরণ ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণই তাদের মূল টার্গেট। এজন্য বাড়ছে খুনোখুনি।
সর্বশেষ গত বুধবার (৬ মে) বেলা ২টার দিকে উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্প-৮ পশ্চিম বি-ব্লকে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নবী হোসেনের ছোট ভাই মোহাম্মদ কামালকে (৩৫) গুলি করে হত্যা করেছে রোহিঙ্গাদের আরেকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী। নিহত মোহাম্মদ কামাল ওই ক্যাম্পের বাসিন্দা মিয়ানমারের মোস্তাক আহমদের ছেলে। তিনি রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নবী হোসেনের ছোট ভাই ও বি-৪১ ব্লকের মাঝির দায়িত্বে ছিলেন।
এর আগের দিন ৫ মে সন্ধ্যায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর গুলিতে এক রোহিঙ্গা নেতা নিহত এবং আহত হয়েছেন আরও দুজন। উখিয়ার নৌকারমাঠ পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন ক্যাম্প-৭ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম কেফায়েত উল্লাহ হালিম। তিনি ক্যাম্প-৭-এর ব্লক-এফ/২-এর বাসিন্দা এবং বাদশা মিয়ার ছেলে। কেফায়েত মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) নেতা ছিলেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, কেফায়েত উল্লাহ হালিম একসময় রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নবী হোসেনের সহযোগী ছিলেন। মিয়ানমার সীমান্তকেন্দ্রিক অস্ত্র প্রশিক্ষণ, মাদক পাচার ও অস্ত্র চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল। ২০২৫ সালের মার্চে নবী হোসেন কারামুক্ত হওয়ার পর একটি বড় মাদকের চালান নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। পরে হালিম ওই গ্রুপ থেকে বের হয়ে আরাকান রোহিঙ্গা অর্গানাইজেশন (এআরও) নামে আলাদা সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলেন। তার সঙ্গে যোগ দেন আরসার বেশ কয়েকজন সদস্যও। এরপর থেকেই দুই গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘাত চরম আকার ধারণ করে।
এই বিরোধের জেরে সশস্ত্র হামলায় নিহত হন কেফায়েত উল্লাহ। পরের দিন হত্যার শিকার হন নবী হোসেনের ছোট ভাই মোহাম্মদ কামাল। পরপর এসব হত্যাকাণ্ডে নতুন করে অস্থির হয়ে উঠেছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প। সাধারণ বাসিন্দাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায়ই গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। সংঘর্ষে জড়াচ্ছে মিয়ানমারের একাধিক সশস্ত্র গোষ্ঠী। ঘর থেকে তুলে নিয়ে গুলি কিংবা কুপিয়ে হত্যার ঘটনাও রয়েছে। এই সবকিছুর মূলে নবী হোসেনকে দায়ী করছেন রোহিঙ্গা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
রোহিঙ্গা নেতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্যমতে, নবীর হাত ধরেই ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথের (আইস) বড় বড় চালান ঢুকছে উখিয়া ও টেকনাফে। ক্যাম্পগুলোতে প্রতি মাসে ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকার ইয়াবা ও আইস ঢুকছে। ৯০ শতাংশ ইয়াবার কারবার নবী হোসেন বাহিনীর কবজায়। নবী হোসেনের এই কারবারে সহযোগিতা দেয় মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান সলিডারিটি অর্গানাইজেশনসহ (আরএসও) আরও তিনটি রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী বাহিনী। বিনিময়ে তারা পায় মাদক বিক্রির টাকার ভাগ।
কে এই নবী হোসেন
২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নিপীড়নের মুখে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় আট লাখ রোহিঙ্গা। এই রোহিঙ্গা ঢলের সঙ্গে আসেন নবী হোসেনও। তার বাড়ি রাখাইন রাজ্যের মংডু শহরের ঢেকুবনিয়ায়। বাবার নাম মোস্তাক আহমদ। তার ঠাঁই হয় উখিয়ার বালুখালী আশ্রয়শিবিরের (ক্যাম্প-৮ পশ্চিম) বি-ব্লকের ৪১ নম্বর শেডে। ২০১৮ সালের শুরুতে মিয়ানমার থেকে আশ্রয়শিবিরে এবং টেকনাফে ইয়াবার বড় চালান আনা শুরু করেন নবী হোসেন। তখন টেকনাফের একজন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন নবী। আশ্রয়শিবিরে নিজের নামে গড়ে তোলেন ‘নবী হোসেন’ বাহিনী। এই বাহিনীর সদস্য তিন শতাধিক।
পুলিশ ও রোহিঙ্গা নেতাদের দেওয়া তথ্যমতে, নবী হোসেনের এক ভাই ভুলু ক্যাম্প-৮ পশ্চিমের ডি ব্লক এবং আরেক ভাই মোহাম্মদ কামাল বি-৪১ ব্লকের মাঝির দায়িত্বে ছিলেন। আরসার হুমকিতে আত্মগোপনে ছিলেন কিছুদিন। বালুখালী এলাকার চারটি আশ্রয়শিবির (ক্যাম্প-৮ পশ্চিম, ৯, ১০ ও ১৪) নবী হোসেন বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। টাকার ভাগ বসিয়ে মাদক চোরাচালানে নবী হোসেনকে সহযোগিতা দেয় আরও ৯টি রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী বাহিনী। এদের মধ্যে রয়েছেন মাস্টার মুন্না, ইসলাম, আবদুল হাকিম, আসাদ, জুবাইর, জাবু, মুমিন, জাকির ও শফিউল্লাহ বাহিনী।
২০২২ সালে মার্চে রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরসহ উখিয়া ও টেকনাফে নবী হোসেনকে জীবিত অথবা মৃত ধরে দিতে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে পোস্টার সেঁটেছিল বিজিবি কক্সবাজার ৩৪ ব্যাটালিয়ন। পোস্টারে জঙ্গলের ভেতরে অস্ত্র হাতে দাঁড়ানো নবী হোসেনের ছবি ছাপানো হয়। এতে লেখা হয়, ‘ইয়াবা গডফাদার ও মিয়ানমারের নাগরিক নবী হোসেনকে জীবত অথবা মৃত ধরে দিতে পারলে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার প্রদান করা হবে।’ কিন্তু এখন পর্যন্ত নবী হোসেনের বিষয়ে কেউ সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি।
নতুন করে আতঙ্ক
রোহিঙ্গারা বলছেন, কয়েক মাস শান্ত থাকার পর হঠাৎ পরপর দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রোহিঙ্গাদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আধিপত্য বিস্তার, মাদক ও অস্ত্রের ব্যবসা, চোরাচালান, মানব পাচার, অপহরণকে ঘিরে এসব ঘটনা ঘটছে। বর্তমানে ক্যাম্পে ছয়টি সশস্ত্র গোষ্ঠী তৎপর রয়েছে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দায়িত্বরত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) জানিয়েছে, উখিয়া ও টেকনাফের ৩২টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কয়েক মাস তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতি বিরাজ করলেও সম্প্রতি পুরনো দ্বন্দ্ব ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আবারও সংঘাত শুরু হয়েছে। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ক্যাম্প-২, ৬, ৭, ৮ ইস্ট, ১৪ ও ১৫ নম্বর ক্যাম্পে অন্তত কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা বেড়েছে। এসব গোষ্ঠী আধিপত্য বিস্তার, মাদক ও অস্ত্র কারবার, চোরাচালান, মানবপাচার ও অপহরণসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এসব নিয়ে বিরোধে ঘটছে হত্যাকাণ্ড।
ছয়টি সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয়
ক্যাম্প-৮-এর বাসিন্দা মোহাম্মদ হারুন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধ প্রতিরোধে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেন। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রায় দেড় বছর পর হঠাৎ করে আবার হত্যাকাণ্ড ঘটায় ক্যাম্পজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক চিহ্নিত অপরাধী কারাগার থেকে বের হয়ে পুনরায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে। এর ফলে পুরনো বিরোধকে কেন্দ্র করে আবারও খুনোখুনির ঘটনা বাড়ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে ক্যাম্পে ছয়টি সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে। এসব গোষ্ঠী ক্যাম্প নিয়ন্ত্রণ, মাদক, চোরাচালান এবং আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এখনই সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় আরও ভয়াবহ সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড বাড়ার আশঙ্কা আছে।’
অনুসন্ধানে জানা গেছে, টেকনাফ ও উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর্তমানে অন্তত ছয়টি সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠী আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধে রয়েছে। যদিও কয়েক বছর আগেও এসব ক্যাম্পে প্রায় ১০টির মতো সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয় ছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানে অনেক গ্রুপ দুর্বল হলেও গ্রেফতার হওয়া কয়েকজন শীর্ষ নেতা ও তাদের সহযোগীরা কারামুক্ত হয়ে আবারও ক্যাম্পে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নেতাদের তথ্য অনুযায়ী, আরাকান রোহিঙ্গা আর্মির প্রধান নবী হোসেন কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে পুনরায় তার গ্রুপকে সক্রিয় করেছেন। অপরদিকে আরাকান রোহিঙ্গা অর্গানাইজেশনের প্রধান কেফায়েত উল্লাহ নিহত হওয়ার পর সংগঠনটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন মো. নুর ওরফে টুপি নুর। এ ছাড়া আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির প্রধান আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনি কারাগারে থাকার পর ক্যাম্পে সংগঠনটির কার্যক্রম পরিচালনা করছেন ছলিম উল্লাহ, যিনি ইয়াহিয়া, রিয়াদ ও সেলিম নামেও পরিচিত। রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের নেতৃত্বে আছেন মাস্টার মো. আয়ুব। এ ছাড়াও ইসলামী মাহাজ নামের আরেকটি গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দিচ্ছেন মৌলভী মো. রফিক। সবমিলিয়ে ছয় গোষ্ঠী তৎপরতা চালাচ্ছে।
কী নিয়ে বিরোধ
এসব সশস্ত্র গোষ্ঠী ক্যাম্প নিয়ন্ত্রণ, মাদক ব্যবসা, মানবপাচার, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়, ডাকাতি এবং মাদকের টাকায় অস্ত্র সংগ্রহসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করলেও বিভিন্ন কৌশলে তারা পুনরায় সংগঠিত হয়ে অপরাধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
আরকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস (এআরএসপিএইচ)-এর সভাপতি মোহাম্মদ জোবায়ের বলেন, ‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যু সামনে এলেই ক্যাম্পে পরিকল্পিতভাবে অস্থিরতা ও সহিংসতা সৃষ্টি করা হয়, যাতে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। এটি মিয়ানমারের সামরিক জান্তা ও আরাকান আর্মির একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ বলে আমরা মনে করি। তাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদতে মাদক, হত্যা, অপহরণ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে এসব গোষ্ঠী। ক্যাম্পে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং নিরাপদ প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে সরকারকে সব সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।’
জেলা পুলিশের তথ্যমতে, চলতি বছরের চার মাসে পাঁচটি খুনের ঘটনা ঘটছে। যা অন্য বছরের তুলনায় অনেক কম। রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ১০ ধরনের অপরাধের মধ্য বেশি মামলা হয়েছে মাদক ও অপহরণের। সবমিলিয়ে ২০১৭ সাল থেকে নয় বছরে তিন শতাধিক বেশি খুনের ঘটনায় ২৯৫টি মামলা হয়েছে।
ক্যাম্পের বর্তমান পরিস্থিতি জানতে চাইলে ১৪ এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মৃত্যুঞ্জয় সজল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, এটি সত্য। তবে সামগ্রিকভাবে ক্যাম্পের পরিস্থিতি এখন শান্ত আছে। দুটি হত্যায় জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে নয় জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্যাম্পে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত আছে।’
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.