বিনোদন ডেস্ক:
বিয়ের আয়োজন প্রায় চূড়ান্ত, ২ হাজার অতিথির কাছে পৌঁছে গিয়েছিল নিমন্ত্রণপত্র। কিন্তু বিয়ের দিন যত এগিয়ে আসছিল, ততই মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছিলেন বলিউড অভিনেত্রী জুহি চাওলা। শেষ পর্যন্ত নিজের হবু শাশুড়ির কাছে কেঁদে মনের কথা জানান অভিনেত্রী। এরপর যা করেছিলেন হবু শাশুড়ি, তা রীতিমতো নজিরবিহীন।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে নিজের বিবাহিত জীবন এবং বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনের মানসিক টানাপোড়েন নিয়ে এক অনবদ্য তথ্য শেয়ার করেছেন এই জুহি।
নব্বইয়ের দশকে একের পর এক হিট সিনেমা উপহার দিয়ে ক্যারিয়ারের শীর্ষে ছিলেন জুহি। সেই সময়ই চলচ্চিত্র নির্মাতা রাকেশ রোশনের মাধ্যমে তার সঙ্গে মেহতা গ্রুপের চেয়ারম্যান জয় মেহতার প্রথম পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে সেই পরিচয় গড়ায় ভালোবাসায়।
একসময় তাদের বিয়ের দিনও ঠিক হয়ে যায়। ২ হাজার অতিথিকে নিয়ে রাজকীয় আয়োজনে বিয়ের পরিকল্পনা চলছিল। কিন্তু বিয়ের ঠিক এক বছর আগে জুহি হারান তার মাকে।
মায়ের মৃত্যুতে গভীরভাবে ভেঙে পড়েছিলেন অভিনেত্রী। তার সঙ্গে যোগ হয়েছিল আরেক ভয়—বিয়ের পর হয়তো তার সফল ক্যারিয়ার থেমে যাবে। একদিকে মায়ের শোক, অন্যদিকে ক্যারিয়ার হারানোর আশঙ্কা, সব মিলিয়ে বিয়ের আনন্দটাই যেন মাটি হয়ে গিয়েছিল তার কাছে।
জুহির কথায়, ‘আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় ফিল্মগুলোর শুট চলছিল এবং আমার বিয়ে ঠিক হয়ে যায়। তার ঠিক এক বছর আগে আমি মাকে হারিয়েছিলাম। বিয়ের তারিখ যত কাছে আসছিল, আমি ভাবছিলাম যাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতাম সেই মা চলে গেলেন, এবার হয়তো ক্যারিয়ারটাও হাতছাড়া হয়ে যাবে। আনন্দ অনুভব করতে পারছিলাম না।’
শেষ পর্যন্ত একদিন কান্নায় ভেঙে পড়ে হবু শাশুড়ির কাছে নিজের সব দুশ্চিন্তার কথা জানান জুহি। আর সেখানেই ঘটে যায় অভাবনীয় ঘটনা।
বয়স হলেই বিয়ে করতে হবে, মানতে নারাজ কৌশানিবয়স হলেই বিয়ে করতে হবে, মানতে নারাজ কৌশানি
জুহির কথা শুনে তার হবু শাশুড়ি বিয়ের সব আয়োজন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেন। ২ হাজার অতিথির কাছে নিমন্ত্রণপত্র পৌঁছে যাওয়ার পরও তিনি বড় আয়োজনের বিয়ে না করার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। শুধু তাই নয়, পুরো পরিবারকেও বিষয়টি বোঝান।
জুহি জানান, তার শাশুড়ি বলেছিলেন, ‘ঠিক আছে।’ এরপর সেই রাজকীয় আয়োজন বাতিল করে মাত্র ৮০-১০০ জন ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ও বন্ধুকে নিয়ে ঘরোয়া পরিবেশে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
১৯৯৫ সালে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন জুহি চাওলা ও জয় মেহতা। তাদের বিয়ের খবরও সেসময় মিডিয়ার কাছে পৌঁছায় কয়েক মাস পর।
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.