প্রিন্ট এর তারিখঃ সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬, ৭:১১ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ অগাস্ট ২০, ২০২০, ১:৫৬ পি.এম
সিনহা হত্যা মামলা: ৪ পুলিশ সদস্যসহ ৭ আসামী রিমান্ড শেষে কারাগারে

বিশেষ প্রতিবেদক:
টেকনাফে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহত হওয়ার ঘটনায় বোনের দায়ের মামলায় চার পুলিশ সদস্যসহ সাতজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সাত দিনের রিমান্ড শেষে এই সাত আসামীকে আদালতে সোপর্দ করা হলে কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালত-৪ এর বিচারক তামান্না ফারাহ তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সাবাজার কোর্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর প্রদীপ কুমার দাশ।
তিনি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার বেলা বেলা ১২ টার দিকে সাতজনকে আদালতে নিয়ে আসা হয়। র্যাবের পক্ষ থেকে নতুন করে রিমান্ডের আবেদন করা হয়নি। বিষয়টি আদালতকে অবহিত করার পর আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালতে সোপর্দ করা ৪ পুলিশ সদস্য হলেন, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আব্দুল্লাহ আল-মামুন ও এএসআই লিটন মিয়া। এছাড়া অন্য ৩ জন পুলিশের দায়ের মামলার স্বাক্ষী। এরা হলেন, টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের মারিশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা মো. নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াজ।
গত ১২ আগস্ট আদালত ৪ পুলিশ সদস্যসহ এ ৭ জন আসামীর প্রত্যকের ৭ দিন করে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।
এদিকে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা, তাঁর সহকর্মী শিপ্রা দেবনাথ ও সিফাতের ব্যবহৃত ল্যাপটপ, হার্ডডিস্, পেনড্রাইভসহ ২৯টি উপকরন আজ র্যাবের তদন্তকারী কর্মকর্তার হেফাজতে নেওয়ার কথা রয়েছে বলে র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার মুখপাত্র লে. কর্ণেল আশিক বিল্লাহ জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিশাবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ। এ সময় পুলিশ সিনহার সঙ্গে থাকা সিফাতকে আটক করে কারাগারে পাঠায়। পরে রিসোর্ট থেকে শিপ্রাকে আটক করা হয়। দুজনই বর্তমানে জামিনে মুক্ত। ওই ঘটনায় ওসি প্রদীপসহ অন্য পুলিশ সদস্যরা এবং পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষী প্রথমে কক্সবাজার জেলা কারাগার ও পরে আদালতের ৭ দিনের রিমান্ড আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র্যাব হেফাজতে রয়েছে। সর্বশেষ বাংলাদেশ আর্মড পুলিশের (এপিবিএন) তিন সদস্যকে আটকের পর আদালতে সোপর্দ করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে তদন্ত সংস্থা র্যাব। কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তামান্না ফারাহ প্রত্যেক আসামির ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
ভয়েস/আআ
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবু তাহের
প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক : আবদুল আজিজ
সম্পাদক: বিশ্বজিত সেন
অফিস: কক্সবাজার প্রেসক্লাব ভবন (৩য় তলা), শহীদ সরণি (সার্কিট হাউজ রোড), কক্সবাজার।
ফোন: ০১৮১৮-৭৬৬৮৫৫, ০১৫৫৮-৫৭৮৫২৩ ইমেইল : news.coxsbazarvoice@gmail.com
Copyright © 2026 Coxsbazar Voice. All rights reserved.