রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন
ভয়েস প্রতিবেদক, মহেশখালী
মহেশখালীতে ‘হেফাজত ইসলামে’র ব্যানারে লাঠি মিছিলের পর দফায় দফায় আওয়ামী লীগের অফিসে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (০৩) এপ্রিল রাত ১২টার দিকে উপজেলার বড় মহেশখালী আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফাঁকা গুলি ছুড়লে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে প্রায় ৩০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। পরে উপজেলা ছাত্রদলের আহŸায়ক তারেক রহমান জুয়েলকে গ্রেফতার করে।
বিষয়টি স্বীকার করেছেন মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হাই।
তিনি জানিয়েছেন, যে কোনো উপায়েই এমন জঘন্য ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করা হবে। ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্তদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের জোর প্রচেষ্টা চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, রাত ১২টার দিকে একটি বিশাল লাঠি মিছিল বড় মহেশখালী থেকে উপজেলা সদরে আসে। মিছিলটি পৌর শহরের গোরকঘাটা বাজার থেকে সড়কের দু’পাশে ভাঙচুর চালিয়ে উপজেলা পরিষদ এলাকায় যায়। এ সময় মূলফটক বন্ধ পেয়ে সরকারি কার্যালয় লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।
আওয়ামী লীগ নেতাদের দাবি, ‘হেফাজতে ইসলামে’র ব্যানারে মূলত বিএনপি-জামায়াতের লোকজন এ হামলা চালিয়েছে।
বড় মহেশখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজ মিয়া বাঁশির দাবি, ‘আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাংচুর করেছে মৌলবাদী হেফাজত ইসলামের নেতাকর্মীরা। তাদের সঙ্গে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের উশৃংখলকর্মীরাও অংশ নিয়েছে।’
মহেশখালী-কুতুবদিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জাহেদুল ইসলাম জানান, ‘ইতোমধ্যে মহেশখালীতে অতিরিক্ত পুলিশ আনা হয়েছে। সমগ্র বিষয়টিকে কঠোরভাবে দেখছে পুলিশ।’
মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমপি আশেক উল্লাহ রফিক এমপি বলেন, ‘গভীর রাতে হঠাৎ করে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা খুবই দুঃখজনক। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোরভাবে দেখছেন। তিনি সবাইকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেন।’
ভয়েস/জেইউ।